হাবিবুল কবির’র কবিতা

 


 
ইচ্ছে করে
 
আমার ভীষণ ইচ্ছে করে বায়না ধরি,
শিশুর মত ঠোঁট ফুলিয়ে, চোখ ভিজিয়ে কান্না করি।
কেউ এসে মোর জড়িয়ে ধরে দিক না আদর!
জাপটে ধরে বক্ষ মাঝে স্নেহের এক বিশাল চাদর।
 
পাবো আমি বাবার ছায়া, মায়ের সেই মিষ্টি হাসি,
কখনো বা দুষ্টুমিতে বলবো তোমায় ভালোবাসি। ​
ভাইবোন মিলে খেলাধুলা আর কত যে রঙিন দিন,
সুখের সুবাসে কাটিয়ে দেবো জীবন ক্লান্তিহীন।
 
কিন্তু সেই রঙিন আলো মেলেনি মোর এই জীবনে,
তবুও সেই তৃষ্ণা আজো জাগে নীরবে আপন মনে।
 একটিবার কেউ কাছে এসে সান্ত্বনাটা দিক না মোরে!
মুছিয়ে দিক চোখের জল, ভালোবেসে আগলে ধরে।
 
 আপনজনের মিষ্টি ছোঁয়ায় দূর হবে সব মনের ব্যথা,
শুনবে সবাই ভালোবেসে আমার সকল ব্যাকুল কথা।
একটু সোহাগ একটু ছোঁয়া আর তো কিছু চাই না বেশি,
তাহলেই তো দেখতে পাবে আমি কতো হাসিখুশি।
 
বুকের ভেতরের শূন্যতা সব ধুয়ে যাবে এক নিমিষে,
দুঃখগুলো হারিয়ে যাবে পরম সুখের অমৃতে মিশে।
এই আকুতি এই মিনতি আমার মনে জাগে রোজ,
ভালোবেসে স্মরণ করে নেবে কি কেউ আমার খোঁজ?
------------------------------------------------------------------------------------------
 
বেলা শেষে
 
 
​ওহে মানবজাতি,
কিসের এত দম্ভ তোমার?
কিসের এত মাতামাতি?
জননীর ওই উদর হতে
এসেছো এই ধরণিতে।
ভাবছো কি তুমি
থেকে যাবে হে
সারা জীবনে এ মহিতে?
​কত মুনি-মনীষী,
দস্যু-দানব,
শাসক-রাজার দল—
শুনেছো কি কভু
রয়ে গেছে কেউ
হয়ে অবিনশ্বর?
​নিজ গুণে তুমি এ ধরাতে
হতে পারো স্মরণীয়,
বেলা শেষে তবুও
ছেড়ে যাবে তুমি—
তুমি সুন্দর এ ধরণী।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
ফিরে যাব 
 
একদিন সব কোলাহল পেছনে ফেলে
আমি চলে যাব নীরবতার দিকে—
যেখানে কারও অপেক্ষা নেই,
কারও ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি নেই।
আমি হবো বিকেলের শেষ আলো,
ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাওয়া গহিন অরণ্যের পথের মতো,
হবো আমি নদীর বুকে ভেসে থাকা
মাঝিহীন ছোট্ট নৌকা।
যারা আমাকে খুঁজবে,
তাদের কণ্ঠ পৌঁছাবে না সেখানে;
যে দরজায় কেউ কখনো কড়া নাড়িনি,
সেই দরজাটি সেভাবেই থাকবে নিঃশব্দ।
আমি তখন নিজের কাছেই ফিরে যাব—
ছায়াহীন দুপুরের মতো একা,
শব্দহীন রাতের মতো স্থির,
অথচ বুকের ভেতর বহন করব
ফেলে আসা পৃথিবীর সমস্ত শব্দ।
কেউ জানবে না কোথায় আছি,
আমিও আর জানতে চাইব না কে কোথায়—
শুধু একটু দূরে, আরও একটু দূরে,
মানুষের ভিড় থেকে সরে গিয়ে
নিজের নিঃসঙ্গতাকেই আপন করে নেব।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
উল্টো শব্দ  
 
রব উল্টে বর হয়, বিয়ে করে যে,
বর উল্টে রব হয়, সবার মালিক সে।
বল উল্টে লব হয়, গণিতে তার কাজ,
বন উল্টে নব হয়, নতুন নতুন সাজ।
মগ উল্টে গম হয়,গমে তৈরি আটা,
জগ উল্টে গজ হয়, তিন ফুটে সাটা।
সর উল্টে রস হয়, খেজুর রসের স্বাদ,
রস উল্টে দুধের সর, খেয়ে বাজিমাত।
​মন উল্টে নম হয়, নমস্কারে হাত,
বস উল্টে সব হয়, দিন থেকে রাত।
বশ উল্টে শব হয়, শব মানে লাশ,
লাশ উল্টে শাল হয়, ওমে জুড়ায় আশ।
চকচকে চক উল্টে কচকচে টাকা
টাকা উল্টে কাটা হয়, কাঠুরের কাজ কাটা।
মচমচে মোচার চপ, রসে ভরা চমচম,
পটাপট হাতে নিয়ে দু-কুড়িক টপাটপ!
লোক উল্টে কোল হয়, মায়ের কোলে যাও,
নাক উল্টে কান হয়, কানটি চেপে দাও।
জমা উল্টে মজা হয়, হাসিখুশি প্রাণ,
নাম উল্টে মান হয়, মানুষের সম্মান।
রাত উল্টে তার হয়, তারায় ভরা রাত,
মাঘ উল্টে ঘাম হয়, গরমে কুপোকাত!
নামা উল্টে মানা হয়, খারাপ কিছু বারণ,
নদী উল্টে দীন হয়, গরিব তার কারণ।
শাপ উল্টে পাশ হয়, পাশ মানে তো দিক,
সাপ উল্টে পাস হয়, উত্তর হওয়া চাই ঠিক!
গাছ উল্টে ছাগ হয়, চরে বেড়ায় মাঠে,
লেগে উল্টে গেলে হয়, সোনাই নদীর ঘাটে!
গোরা উল্টে রোগা হয়, শীর্ণ যার গড়ন,
গর উল্টে রগ হয়, রাগ দমনে শান্ত মন!
লোভ উল্টে ভোল হয়, ভুল শুধরে নাও,
লেখা উল্টে খেলা হয়, খেলায় মেতে রও!
মরা উল্টে রাম হয়, মুখে জপি নাম,
ধারা উল্টে রাধা হয়, রাই কিশোরীর ধাম!
ফোলা উল্টে লোফা হয়, বলটা লোফাই হাতে,
লাফা উল্টে ফালা হয়, ফালা হাতে মাঠে!
ফাল উল্টে লাফ হয়, শূন্যে লাফায় খোকা,
পেট উল্টে টেপ হয়, মেপে দেখার ফিতা
লেপ উল্টে পেল হয়, পেল মানে পাওয়া,
শব্দ উল্টে পড়াশোনায় নতুন মজা নেওয়া!
------------------------------------------------------------------------------------------
 
​রিক্সাওয়ালা
 
​‘এই রিক্সা— যাবে নাকি?’
‘যাবেন কোথায় বলেন দেখি?’
‘আজিমপুর গোরস্থানে—’
‘গোরস্থান? মন্দ নয়, চলেন তবে!’
​‘ভাড়া কত?’
‘মন যত চায় দিয়েন তত!’
‘তা হয় নাকি? সঠিক করে বলুন দেখি?’
‘ত্রিশ দিয়েন, বিনে পয়সায় আমার থেকে গল্প নিয়েন!’
​‘গল্প দিবেন? কিসের গল্প?’
‘শুনুন তবে—শুরু করি, সময় অল্প!
এই তো ছ'মাস আগেই গেলাম,
বুলবুলিকে রেখে এলাম!’
​‘বুলবুলি কে?’
‘আমার ছেলে—কলেরা যে কেড়ে নিলে।’
‘সে কী কথা! চিকিৎসা কি হয়নি তার?’
‘কী কন মামা! বাকি ছিল না কিছুই আর।
​ছ'মাস পর, এক জুম্মাবাদে
সঙ্গে নিয়ে খোকার মাকে
গেলাম কবর জিয়ারতে!
কিন্তু এ কী?
কবর তো নাই—যেয়ে দেখি!
​দু'মাস ধরে দেয়নি টাকা, নেয়নি খবর!
তাই তো ওরা খোকার কবর
ভেঙে গড়ল নতুন কবর!
খোকার মা তো দিশেহারা,
কবর ছিল শেষ সাহারা!
কান্না সে আর-থামায় কে আর,
খোকার শোকে বুক ফাটে তাঁর!
​সেদিন থেকে আর আসি না,
গোরস্থানের ধার ঘেঁষি না।
আজকে আবার পড়ল মনে!
নামুন মামা, এলাম চলে।’
​শুনে বড় দুঃখ পেলাম,
কবরের মাঝে হারিয়ে গেলাম।
টাকা যদি না থাকে, হায়!
মরার পরও শান্তি যে নাই।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
নির্বাসনে বিদ্যুৎ
 
বিদ্যুৎ গেল, গ্যাসও গেল, গেল ঘরের দাসী,
 চুলা জ্বলে না, হাঁড়ি চড়ে না—উধাও মুখের হাসি!
 সুইচ টিপে, চেয়ে থাকি ওপর দিকে, চাতক চোখে,
 ঘোরে না পাখা, জ্বলে না বাতি, রক্তিম আভা সবার মুখে।
বিদ্যুৎ হলো নির্বাসিত, গ্যাস হলো তার সঙ্গী,
গ্রাম থেকে শহর যেন অন্ধকারে বন্দী।
রাজামশায় আছেন ভালো, তুমি প্রজা, তাই সহ্য করো—
হারিকেনের মিটমিট আলো, খড়ি দিয়ে উনুন জ্বালো!
তুমি প্রজা—মূর্খ তুমি—কে লাভবান?
বল! হীরক রাজা ভগবান!
------------------------------------------------------------------------------------------
 
আগমনী দিন
 
​তুমি শালিক, শ্যামা, কোকিলের ন্যায়—
অন্তরালে এসেছিলে বসুন্ধরায়, এ মধুর লগনে।
আকাশের বুক চিরে ছুটে আসা আলোর ন্যায় তুমি এসেছ—
জানি, করবে দিগ্বিজয়।
​তুমি স্রষ্টার নিরূপণ সৃষ্টি, অনন্য সাহসী;
তুমি জয়ের অশ্বে আরোহী, বীরাঙ্গনা বিদুষী।
তুমি সাগরের সেই অনাবিল ঢেউ—বয়ে চলেছো অবিরাম;
তুমি মেঘের চোখে ঝরে পড়া জল, নহে সে অভিমান।
তুমি সুন্দর, তুমি সুরভা, তুমি কবির কবিতার ছন্দ
তুমি মরুর বুকে জেগে ওঠা ফুল আমার জীবনানন্দ
 
​তুমি এসেছ কবির কবিতার জন্য, কবিতা-ই বড় ধন্য;
তুমি মান্য, ছন্দের দোলায় মিলাতে সুর, তুমি বড়ই অনন্য।
তোমার আগমনী নহে তুচ্ছ,
তুমি উদ্ভাসিত, সুরভিত করা হাসনাহেনার একগুচ্ছ।
​কোকিলের সেই সুমধুর গান— রবে চির বহমান;
তোমার এই আগমনী দিন থেকে যায় যেন চির অম্লান।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
স্বপ্নের নীড়
 
আমি একটা ঘর বানাব—বাবুই পাখির বাসা,
 মিটবে সকল ইচ্ছে আমার, মনের যত আশা।
 মনের সুখে ডানা মেলে দেখব নীল আকাশটাকে
 ভাসব আমি নীল সাগরে, দেখব ধরা, চন্দ্রটাকে।
পাহাড় বেয়ে ঝরনা হয়ে ছুটব আমি নদীর খোঁজে,
 চাতক যেমন চেয়ে থাকে, বৃষ্টি নামে বাদলা থেকে
 সূর্য আলোয় ভোর রাঙাবে, শিশির ভেজা সবুজ ঘাসে,
 জোছনা রাতে তারার মেলা দেখব আপন নীড়ে বসে।
সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে সাজাব শখের কুটিরখানি,
 বাতাস এসে দেবে দোলা, গাইবে সুরের মিষ্টি বাণী।
 মেঘের পরশ মিলবে এসে এই গৃহের খড়ের চালে,
 ময়ূরপঙ্খী নাচ দেখাবে গহিন বনের জারুল-ডালে।
পাখির গানে ভাঙবে আমার পরম সুখের অলস ঘুম,
 হিমালয়ের শুভ্র চূড়ায় -পড়বে রোদের বর্ণধুম।
 দূর পাহাড়ের ঝরনা-ধারায় নাইব আমি মনের সুখে,
 প্রকৃতির এই রূপের মেলা বাঁধব আমি নিজের বুকে।
নদীর স্রোতে ভেসে ভেসে স্বপ্ন বুনব মনের গহীন,
 আমার ঘরেই বন্দি হবে বসুন্ধরার কাব্য রঙিন।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
ছিনিয়ে নাও স্বাধীনতা
 
ওড়া ওড়া ওড়া তোরা আজ
আঙ্গনের ঝান্ডা।
অভিশাপ রথের সারথি হয়ে
হাতে নিয়ে ডান্ডা।
মনে গেঁথে নাও অমোঘ বাণী
রণক্ষেত্রে হও আগুয়ান;
আপনার ঘরে আপনাকে যে
করে রেখেছে দারোয়ান!
তুমি ভীরু নও,তুমি সাহসী
তুমি খারাপের তরে মন্দ।
শপথ নাও-ভাঙবো শিকল
তালা আছে যত বন্ধ।
বাংলা যে মোদের মাতৃভূমি
বাংলা মোদের দম্ভ
কঠিন হতে হবে, সাহসি হতে হবে
আর হয়ো নাকো নম্র।
আপনার দেশে আপনাকে যারা
করেছে অত্যাচার
সহ্য করো না আর, করো অঙ্গিকার
ভাঙবো তাদের হাড়।
মোরা নির্বিক,মোরা দুর্বার
মোরা গগনে উড়াবো পতাকা
যুদ্ধ করে আনবো আবার
মোদের স্বাধীনতা।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
এখানে যৌবন বিক্রি হয়
 
যৌবন লাগবে?— যৌবন?
 হরেক রকমের যৌবন আছে—
 কৃষকের কপাল বেয়ে ঝরা ঘামে পুষ্ট যে যৌবন!
 পিয়নের ক্লান্ত চোখে, শিক্ষকের মস্তিষ্কে
 যে যৌবন রাত্রির পর রাত্রি জেগে জন্ম নেয়;
 বইয়ের হলুদ হয়ে আসা পাতায় পাতায়
 যে যৌবন একদিন স্বপ্নের আশায় দিয়েছে দেহ-মন!
 
 অলিগলি, রাজপথ, বাজারের মোড়ে—
 খুঁজলে পাবে অগণিত যৌবন,
 ছড়িয়ে আছে কত অকাল-শরৎ, কত অনামা যৌবন;
 বুকভরা অক্ষর নিয়ে তারা আজও বন্ধ দুয়ারে দাঁড়ায়—
 
 চোখে কয়েক সহস্র ভোরের ঋণ-দরজা খোলে না;
 তবু কড়া নাড়ার শব্দ থামে না।
 ঋতু বদলায়, ক্যালেন্ডার ক্ষয়ে যায়,
 অপেক্ষার শরীরে আরও একটি শীত জন্ম নেয়।
কত যৌবন নীরবে ক্ষয় হয়—
মাটির নিচে চাপা পড়া অঙ্কুরের মতো -আলো চায়,
অথচ আকাশের দুয়ার তার জন্য রুদ্ধ;
 যে বীজে বনভূমির সম্ভাবনা ছিল একদিন,
 আজ সে-ই নীরবে পাথরের তলায় নিজের বসন্ত খোঁজে।
 
 মাথার ওপরে অসংখ্য বিজ্ঞাপন;
 প্রতিটি দেওয়াল যেন বলে— “এসো, এখানে স্বপ্ন পাওয়া যায় ।”
 কিন্তু ভবিষ্যতের দরজাগুলো-অদৃশ্য কোনো তালায় আবদ্ধ।
তবু পৃথিবী অপেক্ষা করে ফুলের গন্ধের—
 কেউ শোনে না মাটির নিচে-বীজের দীর্ঘ নীরবতা।
 সবাই পূর্ণ প্রস্ফুটন দেখতে চায়,কেউ জানতে চায় না—
 কত অন্ধকার ভেদ করে-একটি কুঁড়ি আলোয় পৌঁছায়।
তাই এসো—যৌবন লাগবে?
 এখানে এখনো অগণিত যৌবন পড়ে আছে—
 ডিগ্রির ভারে নত, অপমানের ধুলোয় মলিন,
 স্বপ্নের শব কাঁধে নিয়ে -নীরবে হেঁটে চলেছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
বিবেকের বিসর্জন
 
শ্মশানধূম্র গগন জুড়ে কাকের কূট-কুহন,
 রক্তকমল ফুটে ওঠে—কোথায় সেই সুজন?
মৃগনয়নে নেকড়ের ছায়া, অধরে মধুহাস,
 নিশীথে তারা কুড়ায় অস্থি, প্রাতে পরে সুবাস।
সুবর্ণের মৃগয়ায় আজ অন্ধ সকল পথ,
 কূপের জলে চন্দ্র ডোবে, জাগে কেবল ক্ষত।
বেদীমূলে বিবেক শুয়ে—নৈবেদ্যেরই বেশ,
 মনুষ্যত্বের চিতাভস্মে মানুষই আজ শেষ।
------------------------------------------------------------------------------------------
 
নরপশু
 
​মৃগচর্মে মায়া মেখে মনুষ্যত্ব যাচ্ছে ক্ষয়ে,
রক্তরাঙা রাত্রি নামে রুদ্ধ বিবেক-হয়ে।
​শকুনও শিউরে ওঠে নর-নখরের ঘায়ে,
হায়েনার হাসি হার মানে মানব-হাসির ছায়ে।
​লোভের লেলিহান শিখা লেহে লজ্জার ললাট,
কামনার কালকূট কুহরে কালিমালিপ্ত দিন-রাত।
​পরের ক্ষত পুষ্প ভেবে পাষাণ প্রাণে হাসে,
মানুষ নামে মুখোশ শুধু—পশুত্ব রক্তে ভাসে।

No comments

নির্বাচিত লেখা

আফসার নিজাম’র কবিতা

ছায়া ও অশ্বথ বিষয়ক খ-কবিতা এক/ক. সূর্য ডুবে গেলে কবরের ঘুমে যায় অশ্বথ ছায়া একচিলতে রোদের আশায় পরবাসী স্বামীর মতো অপেক্ষার প্রহর কাটায় প্রাচী...

Powered by Blogger.