সংস্কৃতি এবং ব্যক্তির বেঁচে থাকা ।। ড. ফজলুল হক সৈকত

 

আমাদের বিচরণের ক্ষেত্র ক্রমাগত কমে আসছেএমন অভিযোগ-আপত্তি আজকাল কানে আসে। অ্যাপার্টমেন্ট কালচার এবং প্রযুক্তির বিরাট-ব্যাপক প্রভাবের কারণে এই পরিস্থিতির আবির্ভাব ঘটেছে বলে সাধারণভাবে মনে করা যেতে পারে। এই যে সামাজিকভাবে আপাত ছোট্ট গন্ডির মধ্যে নিজেকে আবন্ধ করে ফেলা কিংবা প্রযুক্তিনির্ভর সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচিতির প্রসার কোনোটাই ব্যক্তির জন্য, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য এবং সংস্কৃতির পরিচর্যা বিকাশের জন্য সম্ভবত  খুব একটা সুখকর নয়। যেহেতু সংস্কৃতির স্রষ্টা ভোক্তা মানুষ, তাই এর বিকাশ কিংবা বিনাশও নির্ভর করে মানুষের তাগিদ বিবর্তনের ওপর। বেঁচেবর্তে থাকবার প্রয়োজনে মানুষকে সংস্কৃতির আলো বাতাসে পরিভ্রমণ করতে হয়; পরিবর্তনটা তাই স্বাভাবিক। সংস্কৃতি ব্যক্তিকে প্রাণভরে বাাঁচতে শেখায়; বাঁচবার দরকারে ব্যক্তি সংস্কৃতির পাঠ প্লাটফরম বেছে নেয় অথবা তৈরি করে সংস্কৃতির ঘর বারান্দা।
সম্প্রতি আমার বন্ধুস্থানীয় এক সেনাকর্মকর্তা বলছিলেনÑ ‘আজকাল পৃথিবীতে সবকিছুই অর্থনীতি নির্ভর হয়ে পড়েছে।শিল্প-সাহিত্যের ব্যাপারেও তিনি ওই অর্থনৈতিক প্রভাবের কথা মান্য করে খানিকটা আফসোস করলেন। আর মানুষের প্রবণতা কীভাবে পোশাক প্রথার ওপর ভর করে ধীরে ধীরে সংস্কৃতিতে রূপান্তরিত হয়ে ওঠে সে সম্বন্ধেও ব্যক্তিগত ধারণার খানিকটা জানিয়ে রাখলেন। আমার এই বন্ধুটি ভাষাপ্রেমিক। দুনিয়ার বিভিন্ন ভাষা বিষয়ে তাঁর আগ্রহ আছে। শিল্পভুবন, জীবনাচার আর রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন বিষয়ে তাঁর বোধ ভাবনা আমাকে বিশেষভাবে আলোড়িত করে। তাঁর ভাবনার সাথে আলাপের সুরে গলা মিলিয়ে বলা চলেÑ আগে যে শিল্প-সাহিত্য অর্থনীতিকে পাশ কাটিয়ে চলেছে বা চলতে পেরেছে, তা নয়। পৃষ্ঠপোষকতার ব্যাপারটি আদ্যিকাল থেকেই প্রচলিত। তবে সৃজনশীলতার একটা ভিন্ন জায়গা ছিল। ওই ভুবনে অর্থনীতির শাসন খুব একটা জোরালো হয়ে উঠতে পারেনি। ব্যক্তির সৃজনশীলতা কখনো রাজনীতি বা অর্থনীতির চাপে পড়ে প্রবলভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়নি। রাজনীতি অর্থনীতির চালচলনের সাথে প্রতিযোগিতায় সাহিত্য শিল্পের জয় হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বোধকরি সময়টা খারাপ যাচ্ছে। ব্যক্তির অনুভব প্রকাশের ব্যাপার-স্যাপার সম্ভবত আর নিজের থাকছে নাÑ কর্পোরেট হাউজ আর কারবারি পেশাদার লোকদের হাতের কবলে চলে গেছে প্রায় সর্বোতভাবে। আমার বন্ধুটি বোধ হয় ওই কারণে মন খারাপ করছিলেন। অবশ্য তিনি সংস্কৃতির প্রাতিস্বিকতা সম্বন্ধে প্রবলভাবে পজিটিভ বলেই মনে হয়েছে। আর পরিবর্তনের ব্যাপারে তাঁর সরল গ্রহণশীল মানসিকতা বেশ কিছুটা উদার বলেও আমি ধরে নিতে পেরেছি। আমার মনে হয়, ‘কস্টিউম কাস্টম’ (পোশাক প্রথা)কে নির্ভর করে যে সংস্কৃতির ভিত নির্মাণ বিকাশের কাজটি চলে, তাতে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব সময়যাপনের ঘটনাপ্রবাহ ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। কেননা, ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে সমাজ সংস্কৃতির পরিচর্যা সম্ভব নয়। আবার মানুষের ব্যক্তিত্ব তৈরির পথ ধরে অগ্রসর হয় সংস্কৃতির বিচিত্র পথ ধারা। কাজেই যাপিত জীবন বা আটপৌরে সংসারের সীমানার বাইরে ব্যক্তিমানুষের নিজের মতো করে বেঁচে থাকবার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেবার প্রয়োজন পড়ে। তার মানসিক স্থিতি-অস্থিতি, চাওয়া-পাওয়ার হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে দেখবারও দরকার দেখা দেয়। প্রাণ খুলে নিশ্বাস নেবার জন্য ব্যক্তিতে কিছুটা স্পেস ছেড়ে দিতে হয়। সারাক্ষণ তাকে সংসারের সমাচারে আবদ্ধ রাখা চলে না। ভেতরে ভেতরে চিন্তার চার দেয়ালের মধ্যে আটকেপড়া ব্যক্তিমানুষ ক্লান্ত হয়ে ওঠে; বিপন্নতা কিংবা বিষণ্নতাও তাকে গ্রাস করে। তবে, সমাজ এসব বিষয়কে পাত্তা দেয় না। সংসারও দেয় না কোনো সামাজিক স্বীকৃতি। কিন্তু ব্যক্তিটি বাঁচবার জন্য তৈরি হতে থাকে। নিজেকে প্রস্তুত করে সবকিছুর ভেতরে থেকেও কীরকম এক বাইরে বাইরে বিচরণের আবহ নির্মাণের কারিগর হিসেবে। আর এই কাজটি সম্পন্ন করতে পর্দার আড়ালে থেকে সহায়তা করে সংস্কৃতির উদার জমিন। কাজেই সংস্কৃতি ব্যক্তির বেঁচে থাকার বিষয় পরস্পর সম্পর্কিত। 
          প্রসঙ্গত, জর্ডানের এই সময়ের এক খ্যাতিমান সঙ্গীতশিল্পী খালিদের ফ্রেঞ্চ ভাষায় গাওয়া একটি গানের কথা স্মরণ করা যেতে পারে। গানটিতে আমরা জীবনের কথা শুনতে পাই; গ্রহণ করি বাঁচবার কিছু মন্ত্রণা আশ্বাস। গানের প্রধান কথাগুলো এরকম: ‘আয়েশা, আয়েশা, ভইগারদে মোয়া; আয়েশা, আয়েশা, একুতে মোয়া; ‘আয়েশা, আয়েশা, রেপনদে মোয়া।’ (অর্থাৎ: ‘ আয়েশা, আমাকে দেখো, আমার কথা শোনো, আর আমার ডাকে সাড়া দাও) প্রেমের বা রোমান্টিকতার ছোঁয়া থাকলেও গানটি ব্যাপক অর্থে জীবনবোধে উজ্জ্বল। দেখবার, শুনবার এবং রেসপন্জ করার যে ব্যাপক চিন্তা পরিসরের কথা গানে প্রকাশ পেয়েছে, তাকে কেবল নারীপুরুষের প্রেমকামনা হিসেবে না দেখে জীবনের বৃহৎ ক্যানভাসে রেখে বিবেচনা করলে আমরা দেখবো সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল প্রভা। ব্যক্তিমানুষের বেঁচে থাকবার জন্য, নিজের জন্য খানিকটা সময় বের করে প্রাণবান ব্যক্তিসত্তার বিকাশের জন্য আমাদের প্রত্যেকের মনে যে প্রকাশ-অপ্রকাশ আকুতির খেলা, যে আকর্ষণ-বিকর্ষণ বিষয়ক টানাটানির উপলব্ধি, তারই সোজাসাপটা উচ্চারণ এই জীবনবোধের চেতনায় চিহ্নিত হয়ে আছে। নিজের সাথে অপরের সম্পর্ক, ভালোলাগার সাথে প্রাপ্তির যোগাযোগ আর উপলব্ধির নিবিড়তা পাওয়া যায় এই গানটির কথামালায়। এই গানটির রেশ শেষ হতে না হতেই আমরা বোধকরি মানতে বাধ্য থাকি যে, জীবনকে অনুধাবন উপভোগ করবার জন্য ব্যক্তির অনুভব এবং চলমানতার সংস্কৃতিকে কিছুতেই অস্বীকার করা চলে না।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একবার এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছিলাম আমি। বিপাকে পড়বার খানিকটা পরে বুঝলাম যে, অনুষ্ঠানের অধ্যক্ষ চাচ্ছিলেন আমি যেন বলিÑ ‘বড় বড় দেশের সংস্কৃতি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারিত-প্রসারিত হয়ে ছোট ছোট সংস্কৃতিকে গিলে ফেলছে কিন্তু আমার কথা ছিল ভিন্নরকম। আমার ধারণা সংস্কৃতি এমন এক ধারণা ধারা যা খুব সহজে গিলে ফেলবার মতো বিষয় নয়। দীর্ঘদিন ধরে যা সৃষ্টি হয়, তা হঠাৎ করেই মিলিয়ে যায় না, অন্তত যেতে পারে না। সংস্কৃতির ব্যাপরটিও ওরকম। অথচ ওই অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনদাতারা যেহেতুওই রকমধারণা পোষণ করেন, তাই বক্তাদেরকে দিয়ে তাদের কাক্সিক্ষত কথাগুলো বলিয়ে নিতে পারাটাই অনুষ্ঠান অধ্যক্ষের প্রধান দায়িত্ব ছিল বলে মনে হয়েছে! অথবা প্রযোজকের প্রচেষ্টাটাই ছিল ওরকম চিন্তাকে প্রতিষ্ঠিত করা। অন্তত চ্যানেলটির শ্রোতা দর্শকের কাছে ওই জাতীয় একটা ম্যাসেজ পৌঁছে দেওয়া। প্রডিউসারের ক্রিয়েটিভিটি এখানে গৌণ ব্যাপার মাত্র; কৌশলটাই মূখ্য। কাজেই একটা না-বলা দূরত্ব তৈরি হতে থাকে আলোচক প্রচারকদের মধ্যে। কেবল আমার ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে, তা নয়। হয়তো আরো অনেকেরই রয়েছে এই জাতীয় অভিজ্ঞতা। কথাটা আমি এভাবে বললাম। অনেকে বলেন না। মেনে নিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়ার সাফল্যে বুকও প্রসারিত হয় কারো কারো। আবার কেউ কেউ না বলা যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন। কিন্তু কী কারণে যেন আমরা অপরের সংস্কৃতিকে আর মিডিয়াকে দোষারোপ করে নিশ্চিন্তে থাকতে চাই। আর নিজেদের প্রতিদিনের অভ্যাস, শিক্ষার প্রসার, চিন্তার বিবর্তন, রুচি গ্রহণ-সামর্থ্যরে ক্রম-উন্নতি এবং সমাজ সময়ের চলমানতাকে অগ্রাহ্য করে ফেলি। মানুষের বাঁচবার তাগিদ আর নিজের জন্য খানিকটা সময় বরাদ্দ রাখার ব্যাপারে আমাদের যেন কোনো খেযালই নেই। যৌথপরিবার যৌথজীবনধারার মধ্যে আমরা ব্যক্তির বিচরণের বিবেচনাকে অনেকটা দূরে সরিয়ে রাখি। ব্যক্তি যে পোশাক-পরিচ্ছদ, প্রথা আর চারপাাশের জীবনধারা থেকে সংস্কৃতির ধাপ সিঁড়ি নির্মাণে ভূমিকা রাখে, সে কথা আমরা অনেক সময় আমলেও আনি না। অনেকে হয়তো ভেবেও দেখি না যে, সংস্কৃতি তো চাপিয়ে দেবার মতো কোনো ঘটনা নয়। আবার, অন্যকে দিয়ে জোর করে কিছু একটা বলিয়ে নিতে পারাতে সংস্কৃতির কোনো উপকার হয় বলে তো মনে হয় না। না-কি এই যে চাপিয়ে দেবার রীতিÑ এটাও এক ধরনের সংস্কৃতি (অপসংস্কৃতি নয় তো!)? হয়তো তাই।
সামান্য সতর্ক হয়ে খেয়াল করলে বুঝতে পারা যায়, মিশ্রসংস্কৃতির সাম্প্রতিক উপস্থিতি আমাদেরকে যেমন বিস্মিত করে চলেছে, তেমনি জোগান দিচ্ছে বিচিত্র আনন্দ-অভিজ্ঞতা। বহুতল ভবনের সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্টে, চা কিংবা কফির আড্ডায় আর ক্লাসরুমে নানান সংস্কৃতির লোকের হাজির থাকবার ব্যাপার থেকে হয়তো সমাজে এবং সংস্কৃতিতে প্রবেশ করেছে এরকম ধারণার প্রকাশ-চেষ্টা। জীবন-ভালোবাসা-মূল্যবোধ-শান্তি এবং সংগ্রাম সম্বন্ধে যেহেতু প্রত্যেক জাতি-গোষ্ঠীর রয়েছে আলাদা আলাদা ঐতিহ্য, তাই সংস্কৃতিতেও প্রবেশ করতে থাকে জীবনেরই মতো ঐতিহ্যসমৃদ্ধির আলো-বাতাস। ভাষা এবং মানবিক বিষয় হিসেবে পাঠক্রমে সংস্কৃতি সব সময়ই একটি জটিল পরিসররূপে বিবেচিত হয়ে আসছে। সংস্কৃতির লালন, ধারণ, পাঠদান এবং পাঠগ্রহণ সত্যিই অন্যান্য প্রাত্যহিক প্রয়োজনীয় বিষয়ের মতো দরকার আছে কি-না, সে প্রশ্নও যে মাঝে মাঝে ওঠে না, তা কিন্তু নয়। অন্যদিকে আচার-অনুশীলনের গতানুগতিক রীতি এবং আমাদের প্রয়োজনীয় ভাবনার অভাবের চিত্রও বিরল নয়। মিশ্রসংস্কৃতির এই প্রবল প্রবাহের কালে, ব্যক্তিসচেতনতার বিবেচনা-প্ল¬¬াটফরমে, সংস্কৃতি-বিষয়ক বোধির জটিলতা সত্যিই দুঃখজনক এবং রীতিমতো ভয়ঙ্কর। সংস্কৃতির শব্দগত বিশ্লে¬¬ষণে উপলব্ধি-স্বাধীনতার সুবিধা নিতে গিয়ে সমাজ-সংস্কৃতি এবং এর সৃষ্টিকারী-পরিচর্যাকারী ভোক্তা পড়ছেন বিপাকে; যেন সংস্কৃতির চিন্তা ধারাকে আমরা করে তুলছি হতাশাঘেরা এক গুমোট কক্ষরূপে। প্রথা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি প্রভৃতির আলোচনা একটা অদ্ভূত ছকের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সে সবের আলো প্রক্ষেপণ-প্রবণতা দৃশ্যত অনেক দূরে অবস্থান করছে; সংস্কৃতি-নির্দেশকের রক্তচক্ষু থেকে নিজেকে রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় নামছে তারা।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সাম্প্রতিককালে অনুষ্ঠিতদুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিটপ্রোগ্রামে যতটা না সংস্কৃতির প্রতি আমাদের আন্তরিকতা শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশিত হয়েছে, তার চেয়ে ঢের বেশি ছিল কর্পোরেট বাণিজ্য সরকারের তাবেদারির রাজনীতি। এই ধরনের অনুষ্ঠান প্রচারে ফলে বাণিজ্য রাজনীতির প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রভাব প্রমাণিত হয় সংস্কৃতির ধারার ওপর। চিন্তাকে তার স্বকীয়তা থেকে দূরে সরিয়ে রাজনীতির বাণিজ্যে অথবা বাণিজ্যের রাজনীতিতে প্রবেশ করাতে চাইলে সমাজের, সংস্কৃতির গোষ্ঠীল এবং শেষত ব্যক্তির অবমাননতাই ঘটে বটে। কিন্তু এরকম কার্যকলাপ আজকাল ঘটে চলেছে আমাদের চোখের সামনে। সংস্কৃতির মঞ্চকে আমরা যেন অনায়াসে সুবিধা আদায়ের মোক্ষম জায়গা হিসেবে বিবেচনা করে নিয়েছে!
এসব বিক্ষিপ্ত কিছু বিষয় যখন ভাবনার টেবিলে সাজিয়ে বসে থাকি, তখন নিজেকে কেবল বিপন্ন মনে হয়। নিজের চিন্তা আর অনুভবের জমিনটাকে শুধু ধূ ধূ মাঠ ছাড়া আর কিছুই কল্পনা করা যায় না। এক নিবিড় অসহায়তা কেবলই গ্রাস করতে থাকে অস্তিত্বের ভেতর-বাহির। ঘোর কেটে গেলে ধীরে ধীরে বুঝতে পারিÑ উৎপাদননির্ভর কৃষিসভ্যতায় আস্থাশীল ব্যক্তি এবং তার অনুভবে ঐতিহ্য আর আভিজাত্যের ব্যাপারাদির বিচরণকে আমরা যদি প্রসারিত করতে পারি, তাহলে অনায়াসে বিস্তার লাভ করতে পারে সংস্কৃতি-বিষয়ক চিন্তারাজি। ফলে ব্যক্তি মানুষের বেঁচে থাকার তাগিদ তার প্রয়োজনের ভিত নির্মাণ করার সমূহ শক্তি কাঁচামাল আমাদের সামনে সহজলভ্য হয়ে উঠতে পারে। আর এর অন্যথা হলে ঘটতে পারে যে-কোনো রকমের সাংস্কৃতিক বিপত্তি!
 
. ফজলুল হক সৈকত
সাহিত্যিক, কলাম লেখক শিক্ষাবিদ
fhsaikatbd1971@yahoo.com

⭐ FOR ANY HELP PLEASE JOIN

🔗 MY OTHERS CHANNELS

🔗 FOLLOW ME

🔗 MY WEBSITE

🔗 CALL ME
+8801819515141

🔗 E-MAILL
molakatmagazine@gmail.com

#সংস্কৃতি
#বাংলাদেশী_সংস্কৃতি
#মঞ্চনাটক
#মোলাকাত
#Molakat
#Culture
#Bangladeshi_Culture
#Islamic_Culture
#Literature
#Bengal_Literature
#সাহিত্য_ম্যাগাজিন
#ওয়েব_ম্যাগাজিন
#সাহিত্য
#বাংলাসাহিত্য
#_ফজলুল_হক_সৈকত

No comments

নির্বাচিত লেখা

আফসার নিজাম’র কবিতা

ছায়া ও অশ্বথ বিষয়ক খ-কবিতা এক/ক. সূর্য ডুবে গেলে কবরের ঘুমে যায় অশ্বথ ছায়া একচিলতে রোদের আশায় পরবাসী স্বামীর মতো অপেক্ষার প্রহর কাটায় প্রাচী...

Powered by Blogger.