আমার প্রথম আমেরিকা সফর ।। মুহম্মদ মতিউর রহমান : পর্ব-৩
১ মার্চ, বুধবার
ক্যানসাস নগরী মিজৌরী ও ক্যানসাস আমেরিকার এ দু’টি রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছে। শহরটি বিশাল। এখানে আমেরিকার তথা বিশ্ববিখ্যাত অনেক ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হলেন- আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্র্রুম্যান, প্রখ্যাত ইংরাজ কবি টি এস এলিয়ট, খ্যাতনামা নাট্যকার ও’নীল প্রমুখ।
প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান ক্যানসাস শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং সারা জীবন এ শহরেই জীবনযাপন করেন। কেবলমাত্র প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে তিনি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজে বসবাস করেছেন। তাঁর নামে এবং তাঁর বাড়িতে একটি মিউজিয়াম ও বিরাট লাইব্রেরি স্থাপিত হয়েছে। প্রখ্যাত ইংরাজ কবি টি এস এলিয়ট ক্যানসাসে জন্মগ্রহণ করলেও যৌবনে তিনি ইংল্যান্ড গমন করেন এবং বাকি জীবন সেখানেই অতিবাহিত করেন। অবশ্য তাঁর স্মৃতিধন্য ক্যানসাস নগবীর অধিবাসীরা এখনও তাঁর জন্য গর্ববোধ করে। টিএস এলিয়ট কেবল ইংরাজি সাহিত্যেই নয়, সারা বিশ্বে আধুনিক কবিদের অন্যতম প্রধান আদর্শ। নাট্যকার ও’নীল অবশ্য আজীবন আমেরিকাতেই বসবাস করেছেন। তাঁর রচিত নাটকসমূহ সমগ্র ইংরাজি সাহিত্যের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ক্যানসাস শহরের এসব ঐতিহ্যপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করে আমরা অনেক আনন্দ ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলাম।
গত তিনদিন যাবৎ আবিদ সামান্য জ্বর ও সর্দি-কাশিতে ভুগছে। কিন্তু তা নিয়েই সে নিয়মিত অফিস করছে এবং আমাদের নিয়ে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আজ তার জ্বর কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় সে ছুটি নিয়েছে। কিন্তু এগারটা সময় অফিস থেকে টেলিফোন এলো যে, তাকে এখনই সেখানে যেতে হবে কিছু জরুরী কাজ করা জন্য। তাই সে অসুস্থ শরীর নিয়েই অফিসে গেলো। দুপুর ২টার মধ্যেই তার ফিরে আসার কথা। কিন্তু তার আসতে আসতে ৪ টা বাজলো। এসেই বলল যে, আমার বড় মেয়ে সুমাইয়ার প্রসব-বেদনা শুরু হয়েছে, সে আজই হাসপাতালে ভর্তি হবে। শুনে আমরা আর দেরি করলাম না। তাড়াহুড়ো করে সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে সিডার র্যাপিডস রওনা হলাম। আবিদ অসুস্থ শরীর নিয়েই গাড়ি চালাতে শুরু করলো। আমরা সাথে আছি বলে আবিদের কষ্ট অনেকটা লাঘব হলো। এখানে বলে রাখা ভালো যে, আমার বড় মেয়ের বাচ্চা হওয়া উপলক্ষেই আমার স্ত্রীর আমেরিকায় আসা। কিন্তু সে একা আসতে রাজি নয়, তাই আমাকেও তার সঙ্গে আসতে হয়েছে।
বিকাল পৌনে ছয়টায় ক্যানসাস শহরের ওভারল্যান্ড পার্ক থেকে আমরা রওনা হয়েছি। দীর্ঘ পথ। পথেই আমরা একসাথে মাগরিব ও এশার নামায আদায় করে নিলাম। রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে আমরা রেস্টরুমে ঢুকে হাতমুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে শরীরের ক্লান্তি কিছুটা দূর করে নিলাম। রাত সাড়ে এগারটায় আমরা সিডার র্যাপিডস মেয়ের বাসায় পৌঁছালাম। ওরা আমাদের জন্যই অপেক্ষা করছিল। আমারা যাওয়ার পর একসাথে সবাই রাতের খানা খেয়ে আবার সবাই হসপিটালে গেলাম। সেখানে দু’ঘন্টা অপেক্ষার পর বাসায় ফিরে এলাম। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে বললেন, এখনও সময় হয়নি, কয়েকদিন পর আবার নিয়ে আসুন।
সকালে উঠে আমরা সবাই একসঙ্গে নাস্তা করলাম। এরপর ড্রইংরুমে বসে গল্প-গুজব করতে করতে দুপুর হয়ে এলো। আমরা আবার একসাথে দুপুরের খানা খেলাম। কিছুক্ষণ পরই আবিদের এক বন্ধু এলো তার স্ত্রীকে নিয়ে। বন্ধুটির নাম হিরণ। সে ইন্ডিয়ার মুম্বাই শহরের অধিবাসী। সে মিজৌরী স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা করেছে। ছাত্র হিসাবে খুব ভালো। ঐ সময়ই আবিদের সাথে তার পরিচয় ও বন্ধুত্ব। ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন কালে সে এক আমেরিকান তরুণীর প্রেমে পড়ে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় সে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে খ্রীস্টান হয়। তার বউ’র নাম মারিয়া। এখন সে সন্তান-সম্ভবা। আমেরিকান তরুণী বিয়ে করে সে আমেরিকান নাগরিক হয়। হিরণের বাবা মা এখনও মুম্বাইতে বসবাস করেন। তারা নিষ্ঠাবান বর্ণ হিন্দু। স্বামী-স্ত্রী উভয়ই নিরামিষ-ভোজী। মাঝে মধ্যে তারা আমেরিকায় আসেন ছেলের বাসায়। তাদের এক ছেলে এবং এক মেয়ে। মেয়েটির নাম কবিতা। সে মেয়েটিও মিজৌরী ইউনিভার্সিটি থেকে নার্সিং-এ পড়াশোনা করে এখন ক্যানসাস শহরে একটি হাসপাতালে চাকরি করে।
হিরণ ও তার স্ত্রীর জন্য আবার রান্না-বান্না করা হলো। তারা উভয়ই এখানে মধ্যাহ্ন ভোজন করলো। খাওয়া-দাওয়ায় তাদের কোন বাছ-বিচার নেই। বেশ পরিতৃপ্তির সাথেই তারা সবকিছু খেয়ে নিল। দু’জনেই খুব মিশুক। অনেকক্ষণ গল্প-গুজব করে তারপর তারা চলে গেলো।
এখানে এখন রোদ-বৃষ্টি ও মেঘের খেলা চলে। প্রকৃতির মধ্যে নীরবে পরিবর্তন ঘটছে। শীত চলে যাওয়ার পথে, বসন্তের আগমন আসন্ন। শীতের দিনে যেমন প্রতিদিন বরফ পড়ে, এখন তেমনটি নয়। আমরা এখানে প্রথম যখন আসি, তখন প্রায় প্রতিদিনই বরফ পড়ত। কিন্তু এখন আর প্রতিদিন বরফ পড়ে না। তবে কোন কোন দিন বরফে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে সবকিছু। আজ বিকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছিল। বৃষ্টির সাথে প্রচন্ড বরফ। দু’তিন ঘন্টা পর বৃষ্টি থেমে গেলেও বরফ পড়ার কোন শেষ নেই। দেখতে দেখতে প্রায় দু’ইঞ্চি পুরো বরফে ছেয়ে গেলো সবকিছু। বৃষ্টি-ভেজা, বরফের চাদরে আচ্ছাদিত প্রকৃতির বুকে দিনের আলো হারিয়ে গেলো। রাত্রির ঘনকালো আবরণে ছেয়ে গেলো মাঠ-ঘাট-বন-প্রান্তর এবং দুর দিগন্ত।
রাত সাড়ে তিনটায় আমার হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলো। জেগে জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি, বাইরে সমস্ত প্রকৃতি আচ্ছন্ন হয়ে আছে সাদা বরফে। আমার স্ত্রীকে ডেকে জাগালাম। বললাম, দেখ কি সুন্দর প্রকৃতি!
আজ আবিদ ক্যানসাস চলে গেলো। আগামীকাল থেকে তার অফিস। দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর আমরা তাকে বিদায় জানালাম। বিদায় মুহূর্তটি সব সময় সকলের জন্যই বেদনাদায়ক। আমাদের বুকও ব্যথায় টনটন করে উঠলো। কর্তব্যের খাতিরে তবু বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্নভাবে সবাইকেই কখনও না কখন বিদায় নিতে হয় এবং দিতেও হয়।
আবিদ যাওয়ার পর আমরা টেলিভিশনের সামনে বসলাম। একটু পর পর খবর হচ্ছে। আমি মনোযোগ দিয়ে খবর শুনছি। আমেরিকার টিভি ও সংবাদপত্রে আমেরিকার খবরই বেশি। অন্যদের খবর তেমন একটা থাকে না। বাংলাদেশের খবর তো ক্বচিৎ-কদাচিত কখনো প্রচার করা হয়। সেসব খবরও কোন ভাল খবর নয়। কোথায় ঝড়-তুফান হলো, কত লোক মারা গেল, কত বাড়ি-ঘর-জনপদ ধ্বংস হলো ইত্যাদি সব খবর। এখানে ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকা দেখা যায়। তাতেই বাংলাদেশের কিছু খবর পাওয়া যায়। এটাই একমাত্র ভরসা।
টেলিভিশনের খবরে আমেরিকার অর্থনীতির চিত্রটাই বেশি প্রকাশমান। বিশেষত প্রেসিডেন্ট বুশ তখন মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে আফগানিস্তান ও ইরাকের উপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছেন। আমেরিকা থেকে অনেক দূরে, সাত সাগর তের নদীর ওপার আমেরিকার বোমা ফাটছে। হাজার হাজার মুসলিম নিধন করা হচ্ছে। বাড়ি-ঘর ধ্বংস হচ্ছে ফসলের মাঠ ও সমৃদ্ধ জনপথ বিধ্বস্ত হচ্ছে। মুসলমানদের সম্পদ ও প্রাচীন ঐতিহ্য সব বিনষ্ট করা হচ্ছে। লুটপাটও হচ্ছে বিভিন্নভাবে। আমেরিকার সীমানার মধ্যে কিছুই ঘটছে না, আমেরিকার জনগণ নিশ্চিন্ত-নির্ভাবনায় দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু তবুও যুদ্ধের ফলে আমেরিকার অর্থনীতিতে প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তেল-নির্ভর শিল্প-কারখানা, পরিবহন-ব্যবস্থা সবকিছুতেই যেন আগুন লেগেছে। তেলের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে অন্যান্য পণ্যদ্রব্যের দামও হু হু করে বেড়ে চলেছে। মানুষ এতে বিব্রত ও হতচকিত। বুশের আগ্রসী নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল হচ্ছে। যুদ্ধে আমেরিকান সৈন্যরা অনেকে নিহত হচ্ছে। আমেরিকান জনগণ তাতে ক্ষুব্ধ।
আমেরিকার অর্থনীতির মূলভিত্তি তিনটি- ১. সুদ, ২. ঋণ ও ৩.বীমা। এ তিনটি মৌল উপাদানের ভিত্তিতে আমেরিকার অর্থনীতি পরিচালিত হয় এবং আমেরিকার সমাজ-ব্যবস্থায় এ তিনটি উপাদান এমনভাবে সংশ্লিষ্ট যে, তা থেকে কেউ বিচ্ছিন্ন থাকার চিন্তা করতে পারে না। তাদের প্রত্যেকের উপার্জনের একটি মোটা অংশ এ তিনটি খাতে ব্যয় হয়।
সুদ ও ঋণ মূলত অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তাই এ দু’টিকে একই সাথে আলোচনা করা হলো। এখানে সর্বক্ষেত্রে ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রায় সকলেই সুদ বা ঋণের উপর নির্ভরশীল। স্বল্প আয়ের লোকেরা প্রয়োজনের তাগিদে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। ধনীরা অধিক ধনী হওয়ার তাগিদে ঋণ গ্রহণ করে। নিয়মিত সুদের টাকা পরিশোধ করলে নতুন ঋণ পাওয়া কোন সমস্যাই নয়। ঋণ দেয়ার জন্য এখানকার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ সদা উদগ্রীব। কেননা ঋণ দেয়াতেই তাদের লাভ। সুদের টাকায় তারা ফুলে-ফেঁপে ওঠে। তাই যে কেউ তার আর্থিক প্রয়োজনে তৎক্ষণাৎ চলে যায় ব্যাংক অথবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে। সেখান থেকে লোন নিয়ে সে তার প্রয়োজন মেটায়। এখানে লোন নেয়া যেমন সহজ, লোনের দায় থেকে মুক্তি পাওয়া তেমনি কঠিন। দেখা যায়, ধনী-গরীব সকলেই ঋণগ্রস্ত। পার্থক্য এই যে, ধনীরা বড় এবং গরীবেরা ছোট ঋণের দায়ে আবদ্ধ। ঋণ দেয়া-নেয়ার সংস্কৃতি এখানকার সমাজ-ব্যবস্থার সাথে ওতঃপ্রোতভাবে জড়িত। ঋণ না নিয়ে, সুদের কারবারে অংশীদার না হয়ে যদি কেউ জীবন-ধারণ করতে চায়, তাহলে তার জন্যে সেটা হয় অনেকটাই কঠিন। কেননা, এ বস্তুবাদী, সেক্যুলার সমাজ-ব্যবস্থায় আয়েসী জীবন-যাপনে অভ্যস্থ কেউই এখানে অতটা কষ্ট করতে রাজি নয়। তাছাড়া, অর্থের পিছনে ছুটে বেড়ানোই যাদের নেশা, অধিক থেকে অধিকতর অর্থ উপার্জনের আকাক্সক্ষায় যারা উম্মত্ত, তাদের কাছে যেকোন উপায়েই হোক অর্থ-সম্পদ অর্জনই জীবনের প্রধান লক্ষ্য। এরূপ অবস্থায়ও এখানকার স্বল্পসংখ্যক ঈমানদার মুসলিম সুদী কারবারে অংশ না নিয়ে চলতে সচেষ্ট।
সুদের মত বীমার হাত থেকে বাঁচাও কঠিন। এখানে স্বাস্থ্য-চিকিৎসা, গাড়ি-বাড়ি, কল-কারখানা ইত্যাদি সবকিছুর জন্যই বীমা করা বাধ্যতামূলক। তাই বীমা কোম্পানীগুলো এখানে অত্যন্ত শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠান। শরিয়তের দৃষ্টিতে বীমা-ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এর মাধ্যমে নিরীহ মানুষের অর্থ-সম্পদ কৌশলে কেড়ে নিয়ে ধনীরা সম্পদের পাহাড় গড়ে। এ ব্যবস্থার কিছুটা সুবিধাও আছে। কিন্তু এর মূল ধারণাটাই অসৎ ও প্রতারণামূলক। অবশ্য ইসলামি বীমা-ব্যবস্থা এর ব্যতিক্রম। শরিয়তের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় বিবেচনা করে শরিয়তসম্মত বীমা-ব্যবস্থা আধুনিক যুগে ইসলামি চিন্তাবিদগণ উদ্ভাবন করেছেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রে তা এখন অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। আমেরিকার বীমা-ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। বীমা ছাড়া এখানে কোন চিকিৎসা করা যায় না, গাড়ি চালানো যায় না, বাড়ির মালিক হওয়া যায় না, কল-কারখানা ইত্যাদি কোন কিছুই প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা সম্ভব নয়। বীমা ছাড়া চিকিৎসার ব্যয়ভার এত বেশি যে, স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা সেখানে চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকে। অথচ চিকিৎসা বীমার খরচও এত বেশি যে, অনেকে চিকিৎসা বীমা করতেও অক্ষম। ফলে তাদেরকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বঞ্চিত থাকতে হয়। তবে চিকিৎসা বীমা করা থেকে কেউ কেউ বিমুখ থাকলেও গাড়ি-বাড়ি, কল-কারখানা ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই বীমা করতে হয়। দেখা যায়, সকল ক্ষেত্রে বীমাকারীরা বীমার একটি ক্ষুদ্র অংশ ভোগ করে থাকে। বীমার সিংহভাগ বীমা কোম্পানীগুলোর পকেটে চলে যায়। এটা এমন একটি অর্থনৈতিক শোষণের কৌশল, যা জনগণের পকেট কেটে সহজেই বীমা প্রতিষ্ঠানের ধনী মালিকগণ সম্পদের পাহাড় গড়ে। পুঁজিবাদী শোষণ-ব্যবস্থার এটা এমন এক কার্যকর শোষণ-যন্ত্র যে, এর যাঁতাকলে সাধারণ মানুষ নিতান্ত অসহায় ও সর্বদা পিষ্ট হয়, অন্যদিকে শোষক শ্রেণী হয় ধনী থেকে অধিকতর ধনী।
⭐ FOR ANY HELP PLEASE JOIN
🔗 MY OTHERS CHANNELS
🔗 FOLLOW ME
Facebook: facebook.com/molakat
Facebook: facebook.com/afsarnizam
Instagram: instagram.com/molakat
Instagram: instagram.com/afsarnizam
Twitter: twitter.com/afsarnizam
🔗 MY WEBSITE
🔗 CALL ME
+8801819515141
🔗 E-MAILL
molakatmagazine@gmail.com
#ভ্রমণ
#বাংলাদেশ_ভ্রমণ
#বিশ্ব_ভ্রমণ
#মোলাকাত
#Molakat
#Travel
#Bangladesh_Travel
#World_Travel
#Literature
#Bengal_Literature
#সাহিত্য_ম্যাগাজিন
#ওয়েব_ম্যাগাজিন
#সাহিত্য
#বাংলাসাহিত্য
#মুহম্মদ_মতিউর_রহমান
No comments