সেটা ইসলামী সংস্কৃতি যেটা মৌলিকভাবে ইসলামের সংগে সামঞ্জস্য ।। শাহ আবদুল হান্নান

 
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ, আম্মাবায়াদ। এইটুক যে বললাম তা পুরোটাই ইসলামী সংস্কৃতি বলা যায়। অন্তত আমাদের দেশে। প্রিয় ভাইয়েরা ইসলামী সংস্কৃতি কি পুরুষের সংস্কৃতি না নারীর সংস্কৃতি না সবার সংস্কৃতি প্রশ্নটি আমি রাখলাম। আমি কিভাবে শুরু করব যে, এই আপনারা যদি সংস্কৃতি কর্মী হয়ে থাকেন কোকিল, তবে আমার অবস্থা কাকের মতো। মানে কোকিলদের আসরে কাক। কেন না আমি তো আপনাদের মতো সংস্কৃতি বুঝি না। এটা আমাকে স্বীকার করতেই হবে। যে আমি আপনাদের তুলনায় সংস্কৃতি কম বুঝি। বা তোমাদের তুলনায় সংস্কৃতি কম বুঝি।  তবু আমি সংক্ষেপে তিনটি বিষয়ে কথা বলব। একটি হচ্ছে ইউনেস্কোর বিষয়টা। দ্বিতীয় হচ্ছে যে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কমিটি বা সাংস্কৃতিক কমিশিন যেটা  হয়ে ছিল তার সুপারিশ গুলোর উপর সংক্ষেপে সামান্য কথা। এবং প্রবন্ধকার মোমেন সাহেবের উপর কিছু মন্তব্য।
 
তো ভালোটা দিয়েই শুরু করা উচিৎ। আমি মনে করি আমরা উই মুসলিম এন্ড মুসলিম রাইটার্স এন্ড থিংকার এন্ড স্কলার্স সুতরাং আমাকে জানতে হবে টু দি ফেয়ার টু বি একাডেমিকেলী অনেস্ট টু বি প্রাটিকেল। মোমেন সাহেবের কয়েকটি জায়গায় আমি মনে করি খারাপটি দিয়ে শুরু করছি, এটা উচিৎ হয়নি। তবু আমি শুরু করছি যে, এটা খুব অন একাডেমীকেল অনেস্ট কিনা আমরা প্রশ্ন করতে পারি কয় একটি জায়গায়। পনের পৃষ্ঠায় তিনি বোধয় বলেছেন- যেমন ৩১ নাইট নিয়ে। আমি জানি না আপনারা অনেকেই জানেন কিনা, ১৯৭১ যারা সংগ্রাম করেছে আমি তাদের মধ্যে একজন। তার পরেও কিন্তু আমি আই ক্যান পয়েন্ট টু দি অনেস্ট, তিনি বলেছেন- এটি খ্রস্টানদের সংস্কৃতি, এটা ফেয়ার কি না, আসলে ফেয়ার কি না। এটা খ্রস্টানদের সংস্কৃতি না। মানে আপনি নিজেই অন্য জায়গায় ইসলামী সংস্কৃতি এবং মুসলীম সংস্কৃতির মধ্যে পার্থক্য করেছেন। সেটাকে সামনে রেখে আমি বলছি। ওয়েস্টার্ণ অনেক লোকেই কিন্তু খ্রীস্টানিটি রিয়েলি ফলো করছে না। এটা তাদের সংস্কৃতি, ওয়েস্টের যারা সত্যিকার অর্থে ধর্মকে ফলো করছে না, এটাকে ঢালাও ভাবে খ্রীস্টানদের সংস্কৃতি বলা প্রয়োজন আছে কি ? আমাদের লেখায় কি এটা এসেন্সিয়াল টু সে। এটা কি বলতেই হবে। না বললে কি আমাদের কথা মানে পয়েন্ট স্টাবিলিস হলোনা। এই প্রশ্নটি, যদি কোন কথা এমন হয় যে এসেনসিয়াল। সেটা একটা বিবেচনার বিষয়। যেটা একাডেমীকেল ফেয়ার না, টোটালী কারেক্ট না, সেটা এভয়েড করতে পারি। মোমেন সাহেব না আমরা সবাই, আমিও, সেটা আমাদের মনে রাখতে হবে। আমি যদি শেষের দিক থেকে একটা কথা ব্যবহার করি তাহলে মনে করি যে এটা খুব বড় ধরনের অন্যায় হবে বলে আমি মনে করি। তিনি বলেছেন যে মানুষের সংস্কৃতি বলতে একমাত্র ইসলামী সংস্কৃতিকে বুঝায় আর বাদবাকী সব সংস্কৃতি হচ্ছে মানবিকতা পাশবিকতার শংকর সৃষ্টি। এখন আমরা যে ডেফিনেশন বললাম, আমরা যে, বাংলাদেশ সংস্কৃতি কমিশন বললাম বিভিন্ন জাতি সত্বাকে স্বীকার করলাম। সব কিছু বলার পরে আমরা বলছি, যে মানুষের সংস্কৃতি বলতে একমাত্র ইসলামী সংস্কৃতিকে বুঝায়।  তার মানে মুসলিম ছাড়া বাকী সব কি অমানুষ ? এবং ধর্মীয় যে সংস্কৃতি হয়েছিল বিভিন্ন যুগে দেট খ্রীস্টানিটি ওয়াজ প্যার্টাণ মডার্ন কালচার। যখন খ্রীস্টানেটি আরো মরাল কালার ছিল, নৈতিকতা যখন তার ভিত্তি ছিল, হতে পারে ট্রিনেডি ছিল, হতে পারে ওরজিনালিটি ছিল, তখন তার ভিত্তি নৈতিকতা ছিল। তখন কি সে সংস্কৃতি অনেক পরিশিলিত ছিল না। এবং সেটা কি মানবিকতা ছিল না তার মধ্যে, সো আমি যেটা বলতে চাচ্ছি। আমাদের যে কোন লেখায়, আমরা ইসলামিস্টদের কে বুঝতে হবে উই হ্যাভ ভেরি ফেয়ার একাডেমিকেল অনেস্ট, এবং এমন কোন কথা আমাদের বলার প্রয়োজন নাই যেটা বলা আমাদের পয়েন্টকে ইস্টাবিলিস্ট করতে সাহায্য করবে না বরং আমাদের লেখাকে ডিবেটেবল করে দেবে। যেমন ওনি বলেছেন, অন্যেরাও বলে থাকে ইসলাম একমাত্র জীবন ব্যাবস্থা, হ্যা তিনি অবশেষে কোয়ালীফাই করেছেন - আল্লাহ প্রদত্ত এবং এক মাত্র জীবন ব্যাবস্থা, ফাইন। এটুক বললে আর বলার থাকে না কথা। তার পরেও বলছি, আমরা একমাত্র নেতা বলে, আমরা একবার প্রবলেম করেছিলাম, যে একমাত্র নেতা সো উই হ্যাভ টু রিমেম্বার। এমন সমস্ত কোয়ালিফিকেশন আমাদেরকে এভোয়েড করতে হবে যা লেখকে একাডেমীকেলি দুর্বল করে দেয়। এইটুক। তারপর অন্য কথা মোমেন সাহেবের উপর বলব কিন্তু এখন না।
 
এই কথাগুলো বলার পর আমি আমার নিজের টেন্ড অব থটে ফিরে যাই। সেটা হচ্ছে এই ইননেশন ভরিওশেনে আসলে ইচ্ছে একটা কম্প্রোমাইজড অব মেনি হিউ পয়েন্টস। ইননেশন ভলিওশন অব কালচার। এই যে কম্প্রেমাইজড। কারন এই বিশ্বে এক জাতি বাস করে না। মানে জাতির যে ডেফিনেশন পলিটিকেল সাইন্সে স্বীকৃতি অথবা নৃতাত্তিক ব্যাখ্যা পলিটিকেলে স্মীকৃত সেই ডেফিনেশনে গোটা মানবজাতি একজাতি না সেই ডেফিনেশনে এক ধর্মের লোক বাস করছে না। এক জাতির লোক বাস করছে না। এক কালচারের লোক বাস করছেনা। এবং নাইট নেশনের জন্য বা আর্ন্তজাতিক সংস্থাকে সকল বিষয়ে একটি কম্প্রোমাইজে পৌঁছাতে হয়। এবং সেই ক্ষেত্রে তা পৌঁছেছে। এবং আমি তাদের দৃষ্টিতে তারা একটি  ভালো কাজটিই করেছে। মানুষে প্রগ্রাম টু আইটেম সেভেনে আমি দেখতে পাচ্ছি লেখা। মানুষের কর্তব্য হচ্ছে প্রতেক জাতির সংস্কৃতিকে সমন্বয় করা এবং সংরক্ষণ করা। তারা আর কি বলতে পারতো ? তারা কি বলতে পারতো অসম্মান করা। তারা কি বলতে পারতো সংস্কৃতিকে ধ্বংশ করে দেওয়া। তারা কি বলতে পারতো ? এটা হচ্ছে কম্প্রোমাইজ আমাদের মানতে হবে। এবং আইটেম ১১ তিনি যা বলেছেন --- এটা টোটাল একটি কম্প্রোমাইজের ভিত্তিতে তারা একটা জিনিস খাড়া করেছে। এবং আমি তাদের মোবারকবাদ জানাচ্ছি। এটা সঠিক কাজ করেছে। আমি যদি ইউনেস্কোর চিফ হতাম। আমি এরকমই কিছু করতাম।
 
ওয়েষ্টার্ণ পলিটিশিয়ানরা যেমন বলছে প্রত্যেক জাতির সংস্কৃতি সম্মান সংরক্ষণ করা। তারা কিন্তু অনেকখানি উদার। তা ওয়েষ্টার্ণ পলিটিশিয়ান সাম অফ দেম নট এগেইন অল। একাডেমীকেলী অনেষ্ট হতে গেলে নট ওল ফেয়ার হয় না। যেমন ফ্রান্সে তারা এসেমিলেশন বলছে। মুসলিমরা থ্রি ফোর ফাইভ মিলিয়ন মুসলিম, যারা জার্মানীতে গেছে। দেয়ার সিক্রা মিলিয়ন মুসলিম অথবা ফ্রান্সে গেলে ফোর মিলিয়ন মুসলীম তার মানে তোমরা এসেমেলি ওয়াদা। এটা তো ঠিক হলো না। একদিকে তারা বলছে বিশ্বে ডাইভার সিটিকে তারা সম্মান করছে। বিভিন্ন কালচার কে তারা সম্মান করছে। যেমন এমেরিকা বলছে মেলটিং স্পট তার মানে আমরা গিয়ে সেখানে মেল্ট করে যাব। এক হয়ে যাবো। ওয়েষ্টর্ণদের মধ্যে একটি অংশ এমন, আমি বলবো না তাদের সব লোকেই এরকম ভাবে। একটি ওয়েষ্টর পলিটিকেল লিডার ইন থিংকার দেন। একটা অংশ চাচ্ছে বাকি সকলে তাদের মধ্যে মেল করে যাক। তাদের মধ্যে এসেমেলেট হয়ে যাক। এটা ঠিক দাবি নয়। দাবি তাদের ঠিক নয়। তাদের মানতে হবে ওয়াল্ড ওয়াইড যে ডাইভাসিটি আছে। তাদেরও মানতে হবে। আমাদেরও মানতে হবে। উই আর অল একস্পেট। ওয়াল্ড ইজ ডাইভার্স ওয়াল্ড। এখানে জোর করে কিছু করা যাবেনা। লাইক্রাফি দ্বীনের ভিতরে কালচারাল ডাইভার্স স্বীকৃতি আছে। লাইক্রাফি দ্বীনের গভীরে যদি আমরা প্রবেশ করি। দ্বীনের মাধ্যে যদি আমরা কালচার নিয়ে আশি তা হলে দেখব এর মধ্যে আমাদের কালচার ডাইভার্সেরও স্বীকৃতি আছে। এবং যে কথাটা উনি বলেছেন- মদিনার যে চার্টার্ডকে কোর্ট করে। মদিনার চার্টেও একটি বড় দিক ছিল এটা যে তিনি প্রত্যেক কমিউনিটিকে ইন্টারনালি সেল্ফ গর্ভনিং করে ছিলেন। অর্থাৎ অন্যরা তাদের নিজস্ব আইন মেনে চলবে। তারা নিজস্ব কালচার ফলো করবে। তাদের রেওয়াজ রিতি ফলো করবে। এবং সেটা ইট নট ইন্টার ফেয়ার রসুল্লাহ সা. উড নট এন্টার ফেয়ার। দেট ওয়াজ পরবর্তিকালে উসমানি খিলাফত। যেটাকে মিল্লাত সিস্টেম বলা হয়। হিজ অল আর মিল্লাত ইন্ডেপেন্ডেট মিল্লাত। এবং এক মিল্লাত আর এক মিল্লাতের উপর হস্তক্ষেপ করবে না। সুতরাং আমি এখানে যে কথাটা বলতে চাই আমাদেরও মানতে হবে। দিজ কালচার ডাইভার্স ইন দা ওয়াল্ড। যেমন তাদেরকে মানা উচিত। তাদেরও দাবি করা উচিত না। এবং ফ্রেন্সের উচিত না, জার্মানের উচিত না, যে আমাদেরকে এসিমেলিশন দরকার। মেল সিস্টেম বলছে। ইন্ডিনরা বলছে হিন্দুত্বের মধ্যে এবং ভারতীয়দের মধ্যে মেল্ড করতে হবে। ইট ইজেট গেইন্ডস অব লাইক্রাফি দ্বীন। ইট ইজ কন্সেপ্ট, দি লাকুম দিনুকুম অলইয়াদিন। এই কন্সেপ্ট কে আমরা বলব ফ্রিডম। এন ইকুয়ালেটি।এন্ড ডিগনেটি অব হিউমেনেটি অব গ্র অব হিউমেনেটি। এটা বিরোধী এবং সেটা আমরাও বলতে পারব না। যদি আমরা এর বিপরীত কথা না বলি। কাজে যদি বিপরীত কাজ না করি। আমরা চাই পিপল অল একস্পেটেড অব ইসলাম অফকোর্স কিন্তু সত্যিকার অর্থে জেনে বুঝে বিশ্বাস করা। আমরা জবরদস্তিভাবে জোর করে মুসলিম হতে বলছি না। আমাদের যে ন্যাশনাল কালচার পলিসি আছে, এখানে আমি যদি যাই তালে বলব- ইট অলসো লাইক ইউনেস্কো ডুকুমেন্ট কম্প্রোমাইজড। এখানে কম্প্রেমাইজের কারণ বাংলাদেশে হিন্দু আছে, খ্রিস্টান আছে, বুদ্ধিস্ট আছে, মুসলিম আছে। যদিও তিনি বলেছেন মুসলিমই প্রধান। প্রধান মানে এই না যে, সে অপ্রধানকে চাপিয়ে দেবে বা খেয়ে ফেলবে বা মেরে ফেলবে বা ধরে ফেলবে। না। অপ্রধানকেও গুরুত্ব দিতে হবে। মানে এজ গ্র দেয়ার ইকুয়াল। সংখ্যায় আমরা যা- হইনা কেন এজ দিস ইকুয়াল। সেটা আমাদের মনে রাখতে হবে। তবে এটাকে ইসলামী ¯িপ্রটের সাথে অসঙ্গতি মনে করি না। আমি ¯িপ্রটের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মনে করি। তাদেরকে সম্মান করা, মর্যাদা দেয়া, মানুষ ভাবা তারাও আল্লাহর সৃষ্টি। তারা যদি বিভ্রান্ত হয়ে থাকে আল্লাহ তা দেখবেন। এবং আল্লাহ তার বিচার করবেন। আখেরাতে করবেন। তো সো এটাও একটা কমপ্রোমাইজড, আমাদের পলিসি। এন্ড ইট হেড টু দি সো বিকজ বি রিলিয়ান, অটোক্লোজিয়ার, কন্টোজিসিয়ান এন্ড কালচারাল ইন্ডোসিসের কারণে হয়েছে। তবে! একটা বড় তবে আছে। সেটা আমি এবং আমাদের জন্য প্রয়োজন। এভরি গ্র ক্যান ওয়ার্ক আন্ডার ইট। মানে প্রত্যেক গ্র এই যে কালচার পলিসি অব দি ইউনেস্কো আছে এবং বাংলাদেশে যেটা করা হয়েছে তারা নিজে নিজেরটা কাজ করতে পারবে। মুসলিমরা তাদের জন্য যতটুকু উপযুক্ত পলিসি থেকে নিয়ে নেবে এবং সেটা তারা করবে। হিন্দুরা তাদের হিন্দুত্বের জন্য যতটুকু তাদের ততটুকু তারা নিয়ে নেবে। এবং সেটা তারা করবে। এখানে স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে, তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। সো এভরি গ্র কেন। এটা দরকার নেই যে, নাচে বিশ্বাস করে না তাকে নাচতে হবে। এই পলিসিটা আমাদেরকে তা বাধ্য করছে না। বিশ্বাসই করে না এই অশ্লিল নাচে, অশ্লিল বাদই দিলাম, শ্লীল নাচে, নাচতে হবে পলিসি তাদের বাধ্য করে না। আমি মনে করি এভরি গ্র ওয়ার্ক আন্ডার ওয়ার পলিসি। আমি ইসলামিষ্ট নীড নট টেক এভরিথিং আমরা যারা ইসলামিষ্ট আমাদেরও সব কিছু নেয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা সেইটুকুই নেব এই পলিসি থেকে যেইটুকু আমরা মনে করি যে আমাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ আমাদের বিশ্বাসের সঙ্গে আমাদের কালচারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। নো নিড টেক এভরিথিং, সবকিছু নিতে হবে সবাইকে, দরকার নাই, এটা প্রয়োজন না।
 
কালচার ইজ ভেরী সেনসেটিভ। যে কালচার নিয়ে আমরা আলাপ করছি, আমাদের মনে রাখতে হবে, কালচার ইজ ভেরী সেনসেটিভ। আমরা জানি যে, ১৯৫২ সালে কিংবা তার আগে ১৯৪৮-৫০ বা ৫২ ভাষার প্রশ্ন। কি হয়ে গেল। কালচার ইজ ভেরী সেনসেটিভ। মানুষের আইন বদলে দেয়া যায়। আইন এক বছর, দু-বছর, পাঁচ বছর পর বদলিয়ে ফেলা যায়। মানুষের গভীরের কালচারকে সহজে বদলানো যায় না। সুতরাং, কালচার ইজ ভেরী সেনসেটিভ। যে কোন কালচার ইস্যূতে ইসলামীষ্টদের সতর্ক হতে হবে। যে কোন কালচার ইস্যূতে আমাদেরকে লোকেদের সেনসেটিভিটিকে খেয়াল রাখতে হবে, অমুসলিম কেন মুসলমানদের মধ্যে কতগুলো কালচার হয়ে গেছে। এগুলোকে আস্তে আস্তে সরাতে হবে। যদি মনে করি এগুলো ইসলাম নয় তাহলে এগুলোকে আস্তে আস্তে সরাতে হবে। সেনসেটিভিটি ইজ ক্যান পার্ট ক্যান বি কালচার। আমি নাম বলবো না, কারণ এতে অনেকের মনে কষ্ট লাগতে পারে বা নাও লাগতে পারে। যে কিছু আইটেমের কথা বলা হয়েছে, অর্জিনাল মুসলিম কালচারের বা প্রাথমিক মুসলিম কালচারের বা আমি যদি বলি যে বেশির ভাগের মতো যেটা সত্যিকার ইসলামী কালচার তার মধ্যে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু এখন পার্ট অব কালচার হয়ে গেছে এবং এটা এত সেনসেটিভ হয়ে গেছে এটাকে বদলাতে গেলে এটা কঠিন হয়ে যাবে। এবং এগুলোকে আমি বলি না, এটাকে বদলাতে হবে না। আমি বলি সত্যি যদি বদলাতে হয়, তাহলে আমাদের প্রায়রিটিকে খেয়াল রাখতে হবে হোয়াট প্রায়রিটি। কোনটা আগে কোনটা পরে তা খেয়াল রাখতে হবে। সেনসেটিভিটি খেয়াল রাখতে হবে। এবং খুব গভীর এবং আস্তে আস্তে করতে হবে এসব কাজ। কালচারের ব্যাপারে আমি যে কথাটি বলছি আর আমাদের মধ্যে যেটা বললাম এই যে কালচার নিয়ে যে ডিভাইডেড কালচার ডিভাডেড হল কনটিনিইয়াস। এটা সহজে শেষ হয়ে যাবে না।
 
এই যে তিনি যে প্রশ্ন করেছেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ এবং তাকে সমন্বয় করা যাবে কিনা। আপনার কাছে মনে হবে সমন্বয় করা সম্ভব। কারো কাছে মনে হবে সম্ভব নয়। কারো কাছে মনে হবে সমন্বয়ের সময় লাগবে। হোয়াট ইজ কালচার এন্ড হোয়াট ইজ নট কালচার এই ডিভেড চলতে থাকবে। হোয়াট ইজ বাংলাদেশী, হোয়াট ইজ বাঙ্গালী এটা সমন্বয় সম্ভব কিনা এটাও চলতে থাকবে এবং হোয়াট ইজ ইসলামীক কালচার এন্ড হোয়াট ইজ নট ইসলামী কালচার, হোয়াট ইজ কালচার এই নিয়ে ডিবাইট চলতে থাকবে। ইসলামের ভিতরে বা মুসলমানদের ভিতরে যেমন চার মাজহাব হতে পারে তেমন সংস্কৃতিরও কি ১০ মাজহাব হতে পারে। ১০টি মত হতে পারে। উই মাস্ট নো হানাফি, রেসপেক্ট মালেকি, মালেকি রেসপেক্ট সাফী। উই মাস্ট লাইক হাউ টু রেসপেক্ট ইট আস আর দি অল ভিউ, আর পার্টিকুলারলি ভিউ দেওয়া হয় এমন লোকদের দ্বারা যারা গভীর লোক যে সমস্ত লোক গভীর, কোনটা অশ্লিলতা, কোনটা অশ্লিলতা নয়, কোনটা রুপক রাইট, কোনটার রূপক রাইট নয়। যেমন আল মাহমুদ সাহেবই তার শিকার।এগুলোকে আমাদের গভীরে মতবিরোধ হতে পারে, ডিফারেন্স অপিনিয়ন হতে পারে, এটাকে আমাদের মানতে হবে। এই মতবিরোধকে আমাদের শিকার করতে হবে। যেটা মতবিরোধ হতে পারে, সেটা ইমাম সাফেয়ী বলেছেন - আমি মনে করি আই এম রাইট। মে বি আই এম হান্ড্রেড পার্সেন্ট রং। এবং আমি মনে করি, অপিনিয়ন আই এম রং মে বি আই এম হান্ড্রেড পার্সেন্ট রাইট। যে কোন বিষয় কুরআন এবং সুন্নাহ প্রমাণিত সুন্নাহ এবং কুরআনের অকাট্য ব্যাখ্যা অকাট্য নয় সেসবগুলো স্তেহাদের অংশ। এবং সেসব বিষয়ে আমাদের মধ্যে ডিসটেন্স এবং অপিনিয়ন হতে পারে। এবং সেই বিষয়ের মধ্যে আমাদের ব্যাপক ডিফারেন্স হতে পারে। এবং আমরা সেখানে একে অন্যের মতকে রেসপেক্ট করতে হবে। আমি লাস্ট কথা যেটা বলতে চাই যে, ডিফারেন্স অব অপিনিয়নের বিষয়টা, সে বিষটা বলতে গিয়ে আপনার সঙ্গে আমার তেমন কোন মতবিরোধ নাই।
 
একটি কথা থেকে আমি কমেন্টস করি শুধু, এক শ্রেণীর বিপদগামী বুদ্ধিজীবী, জানি না আমরা বলি একদল বুদ্ধিজীবী বলেই যদি আমরা কথাটা বলে ফেলি তা যথেষ্ট কি না। আমাদের ফতোয়া দেওয়া জরুরী কিনা প্রত্যেক ক্ষেত্রে। এই প্রশ্নটি আমি ভাষাগত সতর্কতার জন্য আমি ইসলামিস্টদের আবেদন করি। ইসলামিস্টদের কাজ অর্ধেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে যদি আমরা ভাষাগত সতর্কতা অবলম্বন না করি। আমি দেখিনি কোন গ্রেট থিংকার, গ্রেট স্কলার কোন অসতর্ক শব্দ ব্যবহার করে। জিনিসটা আমি অনুরোধ করি আপনাদের বিবেচনার জন্যই এবং উনি যে বলেছেন ইসলামী সংস্কৃতি এবং মুসলিম সংস্কৃতি এক জিনিস নয় এটা তর্ক সাপেক্ষ ব্যাপার। তিনি যে অর্থে ব্যবহার করেছেন সে অর্থে রাইট। কিন্তু আরো একটা বিবেচনা হতে পারে মুসলিম বলতে কি আপনি ধরে নিচ্ছেন হি ইজ করাপ্ট মুসলিম। ইসলাম মানে নন করাপ্ট ইসলাম। ইসলামেরও একটা ভুল সস্করণ হতে পারে। যেমন ইসলামের ইতিহাস না মুসলিম ইতিহাস এই নিয়ে বিরাট বিতর্ক হয়েছে কিন্তু কেউ বিতর্কে জিততে পারেনি। ইসলামের ইতিহাস কন্টিনিউ যদিও এটা বার বার তোলা হয়েছে এটা ইসলামের ইতিহাস নয়, এটা মুসলমানদের ইতিহাস। কিন্তু দেখুন মানুষ কিন্তু আল্টিমেটাম পুরোপুরি কনসেপ্ট হয়নি এবং গ্রহণ করেনি। এটাকে ইসলামে ইতিহাস বলেছে। সুতরাং এইসব বিষয় হচ্ছে, হাউ ইজ হু কেট ইট। কথা ঠিক যে, মোমেন সাহেব বলেছেন ইন দি ভেরী এসেট কিন্তু আপনি বিতর্ক না তুললেও পারেন। সিরিয়াসলি ধরনের বিভাজন আছে কিনা ? আমরা যদি না বলি ইসলামী সংস্কৃতি মুসলিম সংস্কৃতি আলাদা বরঞ্চ সেটা ইসলামী সংস্কৃতি যেটা মৌলিকভাবে ইসলামের সংগে সামঞ্জস্য বলে ছেড়ে দিই। এবং এটা ডিভাইডেবল চেহারা না করি তাহলে ভাল হয় কিনা এই প্রশ্নটাও রেখে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি। ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।
 
বাংলাদেশ সংস্কৃতিকেন্দ্রেরের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সেমিনারে বক্তৃতা
অনুলিখন : আফসার নিজাম

⭐ FOR ANY HELP PLEASE JOIN

🔗 MY OTHERS CHANNELS

🔗 FOLLOW ME

🔗 MY WEBSITE

🔗 CALL ME
+8801819515141

🔗 E-MAILL
molakatmagazine@gmail.com

#সংস্কৃতি
#বাংলাদেশী_সংস্কৃতি
#ইসলামী_সংস্কৃতি
#মঞ্চনাটক
#মোলাকাত
#Molakat
#Culture
#Bangladeshi_Culture
#Islamic_Culture
#Literature
#Bengal_Literature
#সাহিত্য_ম্যাগাজিন
#ওয়েব_ম্যাগাজিন
#সাহিত্য
#বাংলাসাহিত্য
#শাহ_আবদুল_হান্নান
#আফসার_নিজাম

No comments

নির্বাচিত লেখা

আফসার নিজাম’র কবিতা

ছায়া ও অশ্বথ বিষয়ক খ-কবিতা এক/ক. সূর্য ডুবে গেলে কবরের ঘুমে যায় অশ্বথ ছায়া একচিলতে রোদের আশায় পরবাসী স্বামীর মতো অপেক্ষার প্রহর কাটায় প্রাচী...

Powered by Blogger.