ছন্দে ছন্দে কবি আবদুল হাই ইদ্রিছী’র সাক্ষাৎকার

 
কবি আবদুল হাই ইদ্রিছী’র ১ জুন জন্মদিন। ১৯৮৬ সালে কবি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা আলহ্বাজ মাওঃ ইদ্রিছ আলী (অবঃ প্রধান শিক্ষক) ও মাতা আছমা বেগম। আবদুল হাই ইদ্রিছী একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, সম্পাদক সংগঠক।
তিনি সংগঠক হিসেবে দক্ষতা নিষ্ঠার সাথে চৌধুরী গোলাম আকবর সাহিত্যভূষণ স্মৃতি সংসদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ- সভাপতি, অক্ষর সাহিত্য সংসদ (অসাস) এর সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় কবিতা মঞ্চ এর মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সাহিত্য, সামাজিক সংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।
কর্মের স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন নবীন-তরুণ লেখক প্রকল্পে অবদানের জন্য কিশোরকন্ঠ ফাউন্ডেশন কতৃক তরুণ লেখক সংবর্ধনা-২০১৫, সাহিত্য- সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ বিজ্ঞানী স্যার জগদীস চন্দ্র বসু স্মৃতি সম্মাননা-২০১৫ কাব্যকথা সাহিত্য পুরুস্কার-২০১৫, শিরোনাম সাহিত্য সম্মাননা ২০১৬, বাংলাদেশ মিডিয়া ইনস্টিটিউট সম্মাননা ২০১৬।
কবি আবদুল হাই ইদ্রিছীর স্বাভাবে সৌজন্যবোধ, সৌহার্দ, অমায়িকতা, ঐকান্তিকতা প্রভৃতি মানবিক গুনগুলো যেমন প্রোথিত; তেমনি আপোষহীনতা, সত্যনিষ্টা সৎ সাহস তাঁর চরিত্রের অকৃত্রিম অলংকার। নীরবে তিনি মুক্তা ফলাতে ভালবাসেন। তাই বয়সেই সুধিসমাজে তাঁর একটা বিমুগ্ধ পরিচিতি রচনা হয়েছে। ইদ্রিছিকে নিয়ে আমরা অনেক পথ পাড়ি চাই। দেশের একজন শ্রেষ্ট কবি হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠিত হবেন এটাই প্রত্যাশা। কবি আবদুল হাই ইদ্রিছী’র ছন্দে ছন্দে সাক্ষাৎকারটি গ্রহন করেছেন আলী আহমাদ।
 
আলী আহমাদ:
কেমন আছেন প্রিয় কবি
একটু খানি বলুন,
ছন্দে ছন্দে আমার সাথে
সামনে একটু চলুন।
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
অনেক অনেক ভালো আছি
শুকরিয়া জানাই তাই,
ছন্দ নিয়ে সামনে চলুন
কোন বাধা- নাই।
 
আলী আহমাদ:
চলছে কেমন লেখালেখি
কোন বিষয়ে করছেন,
কোন সে স্বপ্ন বুকে নিয়ে
কলমটাকে ধরছেন?
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
সময় আমায় বিষয় ধরায়
হচ্ছে লেখা ভালো,
স্বপ্ন বুকে সমাজটাতে
ছড়িয়ে দেবো আলো।
 
আলী আহমাদ:
কবে থেকে লেখা শুরু
কোন পত্রিকা ছাপে,
সেই লেখাটি পাঠক সমাজ
কেমন চোখে মাপে?
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
পাতাকুঁড়ির দেশ- ছাপে
শুণ্য দশক লেখা,
প্রথম লেখা পড়ে পাঠক
বলে হলো শেখা।
 
আলী আহমাদ:
ছড়া লিখেন প্রতিদিন-
যখন যেটি ঘটে,
কেমন করে লিখেন সব
আসে হৃদয় পটে?
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
বিবেক আমায় তারা করে
হালটা দেখে শিখি,
সময় তখন না পেলেও
হেঁটে হেঁটে লিখি।
 
আলী আহমাদ:
কি কি বলুন ভাল লাগে
বেশি বেশি করতে,
কি দিয়ে চান সারা বেলা
হৃদয়টাকে ভরতে?
.
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
ভালো লাগে পড়তে বেশি
নতুন কিছু পেলে,
মনটা আমার পূর্ণ থাকে
প্রকৃতিতে খেলে।
 
আলী আহমাদ:
কি কি বিষয় দহন করে
ব্যথার নদে ভাসায়?
কিসে বলুন তুপ্তি দিয়ে
মনের সুখে হাসায়?
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
সম্প্রীতিতে দেখলে ভাটা
কলজেটা হয় ফানা,
দুখির মুখে দেখলে হাসি
তৃপ্তি মেলে দানা।
 
আলী আহমাদ:
বলুন না কি করতে হবে
সুখি সমাজ গড়তে,
অশান্তিকে ঠেলে দিয়ে
সুখগুলোকে ধরতে।
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
প্রতিহিংসা ঠেলে দিয়ে
ঐক্য গড়ে সবে,
সুখি একটি সমাজ গড়ে
শান্তি পাবে সবে।
 
আলী আহমাদ:
নতুন যারা লিখছে তারা
কেমন করে লিখবে?
একটুখানি বলেন যদি
তারা কিছু শিখবে।
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
ধর্য্য নিয়ে থাকতে হবে
নয় তো সহজ পথটা,
পড়তে হবে বেশি করে
জানবে সবার মতটা।
 
আলী আহমাদ:
জন্ম দিনের অনুভূতি
একটুখালি বলুন,
এই-বলেই এবার কবি
শেষের দিকে চলুন!
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
রোদে পুড়ে কাটছি পাহার
মাঠ গড়িবার আশে,
একটু শীতল পানি নিয়ে
কেউ দাঁড়ায়নি পাশে!
 
আলী আহমাদ:
ব্যস্ততাতেও সময় দিয়ে
ধন্য করে দিলেন,
জানাচ্ছি তাই কৃতজ্ঞতা
মনে আসন নিলেন।
 
আবদুল হাই ইদ্রিছী:
খুশি হলাম অনেক অনেক
ভালোবাসা থাকলো,
মুহুর্তটা অম্লান করে
স্মৃতি ধরে রাখলো।

⭐ FOR ANY HELP PLEASE JOIN

🔗 MY OTHERS CHANNELS

🔗 FOLLOW ME

🔗 MY WEBSITE

🔗 CALL ME
+8801819515141

🔗 E-MAILL
molakatmagazine@gmail.com

#সাক্ষাৎকার
#মোলাকাত
#Molakat
#Interview
#Literature
#Bengali_Literature
#সাহিত্য_ম্যাগাজিন
#ওয়েব_ম্যাগাজিন
#সাহিত্য
#বাংলাসাহিত্য
#আবদুল_হাই_ইদ্রিছী
#আলী_আহমাদ

No comments

নির্বাচিত লেখা

আফসার নিজাম’র কবিতা

ছায়া ও অশ্বথ বিষয়ক খ-কবিতা এক/ক. সূর্য ডুবে গেলে কবরের ঘুমে যায় অশ্বথ ছায়া একচিলতে রোদের আশায় পরবাসী স্বামীর মতো অপেক্ষার প্রহর কাটায় প্রাচী...

Powered by Blogger.