সাফিকা জহুরা জেসী’র কবিতা

 
তবু তোমাতেই বিভোর থাকি
 
তুমি কি তবে কেবলই শীতকালের চাদরে মোড়া গল্প হয়ে এসেছিলে?
বিমূর্ত রাতের স্পর্শ হয়ে!
নাকি কল্পনার শিকায় সাজিয়ে রাখা কবিতার রুমাল?
কেবলই অশ্রুসিক্ত স্মৃতি
বিভোর করা গন্ধে জড়িয়ে রেখেছিলে...
তবে কেন আমি আজও তোমাকে অনুভব করি?
উপলব্ধিতে পাই!
কেন প্রতি নিঃশ্বাসে জড়িয়ে আছ
প্রশান্তির হিম হয়ে!?
কেন আজও কান পেতে, মন পেতে, চোখ পেতে
ছায়া চিনে বেড়াই?
এই বুঝি এলে, এই বুঝি এলে...
একবার এসো, অন্তত একবার এসো আমার হৃদয় আঙিনায়;
একটা রজনিগন্ধা, কামিনী বা হাসনাহেনার গাছ লাগিয়ে দিয়ে যেয়ো
আমি তোমার সুধা মেখে দাওয়ায় আঁচল বিছিয়ে
মৌন সুতোয় গাঁথব আমাদের প্রেমের অদৃশ্য ছবি!
----------------------------------------
 
ছেড়ে যাওয়া খুব সহজ বুঝি
 
অন্যমানুষটা কি হঠাৎ করে ফিরে এলো
যার জন্য না জানিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিলে
নাকি অন্য কাউকে পাবার সাধনা পূরণ হলো
যার জন্য মাঝপথে এসে আমার হাত ছাড়লে
খুব বেশি যত্ন নেয় বুঝি
আমার মতো কথায় কথায় মান করে না
নাকি তার সব দোষ ভালোবেসে আপন লাগে
কোনো ভুলই ভুল মনে হয় না!
আমার বেলায় যত হিসেব-নিকেশ
পান থেকে চুন খসলেই সব শেষ
অভিমানে গাল ফোলালে, ভুল করেও কাছে এসে
মান ভাঙানোর ইচ্ছে জাগেনি
আমার বায়নাগুলো ছিল তোমার কাছে বিরক্তিকর
কোন মানুষটা বলো তো ভালোবাসলে ভালোবাসা চাইবে না
কোন মানুষটা অপেক্ষা করবে না খোঁজ নেবার, দেখা পাবার!?
এই অন্যমানুষটা বুঝি অন্যরকম
ঠিক তোমার মনের মতন;
রাগ করে না, বায়না ধরে না, নীরবেই সয়ে যায় সব যন্ত্রণা...
আমার মতো বার বার ক্ষমা করতে জানে তো!?
আমার মতো বার বার তোমায় ফিরিয়ে আনতে পারবে তো!?
নাকি যায়-আসে না সেও যদি তোমায় ছেড়ে যায় চলে
যেমনটি তুমি আমায় ফেলে গেলে
এই আমিটাকে একেবারে নিঃস্ব করে দিলে!!
----------------------------------------
 
হারাতে চাই শরতের দোলায়
 
একমুঠো শরৎ দেবে আমায়!
নীল শাড়ি, বেলিফুল গলায় আর খোঁপায়
আমিও একটু হারাতে চাই কাশের দোলায়
দাও না একমুঠো শরৎ আমায়!
 
সাদা জমিনে লাল জরিপাড়ের ছোঁয়ায়
আমিও একটু নাচতে চাই শারদীয়ায়
চারিদিকে বাদ্য-বাজনা, মাতাল করা সানাই
সব ভুলে উল্লাসে হারাতে আমারও তো মন চায়!
 
বনখঞ্জনদের সাথি করে পাড়ি দিই শুভ্রমেঘের ভেলায়
নীল সাদা আর কালো ডোরাকাটা আল্পনায়
নতুন নতুন গল্প বানাই এই শরতের মনমোহনায়
আলতা নূপুর আর রোদেলা দুপুরে হৃদয়ের গান শোনায়!
 
রূপকথার বনদেবীর মতো নিমগ্ন হব কল্পনায়
হারাব শিশিরের স্পর্শ আর হিমেল হাওয়ায়
শিউলি আর টগরের সুবাসে গোধূলিকে জানাব বিদায়
একমুঠো শরৎ দেবে আমায়? দাও না একমুঠো শরৎ আমায়!!
----------------------------------------
 
রিওয়াইন্ড ফর কারেকশন প্লিজ
 
একবার রিওয়াইন্ড বাটনটা প্রেস করে দেবে, প্লিজ!
পুরোটা করতে হবে না
একেবারে শুরুতে যাবার দরকার নেই
আমাদের কথা বলা শুরু হবার দিনগুলো তেমনই থাকুক;
ঠিক ততদূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবে, যেখান থেকে কথা বলতে বলতে মায়া জন্মাতে শুরু করে
সেসময় পর্যন্ত ব্যাকে যাবে যখন থেকে একে অপরের সাথে কথা না-হওয়ায় অস্থিরতা শুরু হয়
সেই মুহূর্ত অবধি রিওয়াইন্ড করবে, যেখান থেকে একে অপরের প্রতি টান জন্ম নেয়; মন-মস্তিষ্কে কেবল একজনেরই খেয়াল রয়,
কেমন আছে জানার জন্য ব্যাকুলতা বেড়ে যায়...
একবেলা কথা না হলে, দূরত্ব বাড়লে,
নাওয়াখাওয়া-সহ রাতের ঘুম বন্ধ হয়ে যায়...
এই অংশগুলো ট্রিম করে ডিলিট করে দেবে, প্লিজ!
যদি পারো, ভালোবাসা আর ভালোলাগার সেই অনুভূতিগুলো সিলেক্ট করে মুছে দিয়ো
যেখান থেকে অধিকার জন্ম নেয়!
এডিট করার পর, সবকিছু আগের মতই চলতে থাকবে;
দৈনন্দিন ব্যস্ততা, দেশের সার্বিক অবস্থা,
আবহাওয়া -প্রকৃতি, অভাব-দৈন্যতা,
শারীরিক সুস্থতা-অসুস্থতা, সব বিষয়ের আলাপচারিতা
ঠিক আগের মতোই চলতে থাকবে...
কারেকশন করার পর সম্পর্কটাকে একটা নির্দিষ্ট সীমার মাঝে আটকে রাখব আমরা;
একে অপরের ভালো চাইব,
সবসময় শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে পাশে থাকব, কিন্তু
অভিমান আর অভিযোগ জন্ম নেবার বন্ধনে আবদ্ধ হব না আর কখনো!
 
দাও না প্লিজ একবার রিওয়াইন্ড করে
অনেকটা পথ পার করে ফেলেছি, যেখান থেকে ফেরা যায় না
অনেক বেশি স্বপ্ন দেখে ফেলেছি যা আজকাল বাস্তবে মেলে না
অনেকটা অধিকার দাবি করে বসেছি, যার সবটা খাটে না।
অনেক অনেক অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছি,
যার পরিণতি কেবলই মানসিক যন্ত্রণা, কেবলই কান্না!
 
মেমোরি এত বেশি লোড হয়ে গেছে যে বেশিভাগ সময় ডিভাইসের মত মস্তিষ্কও হ্যাং হয়ে যায়,
স্তব্ধ, নিথর হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকি প্রতিমুহূর্ত
 
রিফ্রেশ করে কিছু অংশ ডিলিট করে দাও না প্লিজ
যান্ত্রিক গোলযোগের মতো বিষণ্ণতায় পূর্ণ এখন জীবন আমার-
জীবন থেকে আমি মুক্তি চাই
বেঁচে থাকার মতো সামান্য স্বস্তি চাই
তোমার আমার সম্পর্কটাকে অন্তত একবার রিওয়াইন্ড করতে চাই!!
----------------------------------------
 
অভিশাপ দেওয়া লাগে না
 
তুমি দেখতে অসুন্দর, কোনো সমস্যা নেই,
মনটা সুন্দর যেন হয়!
তোমার আর্থিক অবস্থা ভালো না,
প্রাণপণে মানিয়ে নেবো!
তুমি আমাকে ভালোবাসো না,
বেশ! আমিই না-হয় ভালোবেসে যাব!
কিন্তু! তুমি যদি প্রতারক আর বিশ্বাসঘাতক হও,
তোমাকে স্মরণ করব কেবল ঘৃণায় আর দীর্ঘশ্বাসে!!
----------------------------------------
 
ভালোবাসা মেহেদিপাতা
 
স্নিগ্ধ সতেজ কী সুন্দর সবুজ পাতা
ডলে-পিষে আরও অদ্ভুত রঙে রূপান্তরিত হয়
আফসোস, যতই গাঢ় হোক, সে তো ক্ষণস্থায়ী
হুম! মেহেদির কথাই  বলছি;
ভালোবেসে অতিযত্নে লাগানোর পর যখন মন -প্রাণ জুড়িয়ে দেওয়া রঙে রাঙিয়ে তোলে হাত, তখন মন-প্রাণও আনন্দে আর প্রফুল্লতায় ভরে যায়
বারবার সে রঙে নিজেকে রাঙাতে চায়!
ভালোবাসাও ঠিক মেহেদির মতোই;
অতি আদর-সোহাগে লালন করে প্রথমে জীবনকে রাঙিয়ে তোলে
এরপর ফিকে হওয়া শুরু করলে মন-প্রাণ বিষাদে ভরে যায়
তারপর, একসময় একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়...
বারবার জীবন রাঙানোর সাহস পায় না সবাই
বারবার হারানোর ব্যথা সয়ে নেওয়া খুব সহজ নয়
তবে
মন চায়
মন পড়ে রয় সেই ভালোলাগার আশায়
পথ চেয়ে রয় ভালোবাসা ফিরে পাবার প্রত্যাশায়!!
----------------------------------------
 
উড়নচণ্ডী রয়ে যায় মন
 
আর্তনাদমাখা গভীর ঢেউ না হয়ে
স্বচ্ছজলের সমুদ্র হতাম
পুরো আকাশের নীল ধারণ করে
নীলে নীলে বাসর সাজাতাম
কী ক্ষতি হতো, যদি এমন হতো?
লবনের শূন্যতা পূরণের নোনাজল হতাম;
জীবনীশক্তি হতাম...
কেন অশ্রু জলে বুক ভাসানো
নোনাজলের সাগর হলাম?
কী ক্ষতি হতো, এমন যদি হতো;
সকল বাধাকে হার মানিয়ে,
পিছুটান সব তুচ্ছ করে
আমি উড়নচণ্ডী হতাম!?
 
স্বাধীনচেতা স্বাধীন ছিলাম
নিজের স্বপ্ন নিজে সাজাতাম
বাধা-বিপত্তি লড়াই করে
লোকভয় আর নিন্দা তুচ্ছ করে
কখনো ঘুড়ি, কখনো পাখি হয়ে
লাগামহীন জীবন যাপন করতাম
দোষ কী ছিল, যদি উড়নচণ্ডী থেকে যেতাম!?
 
মেনেও মানে না বাধা জীবন আর এখন
সত্যি বলছি, সারাজীবন উড়নচণ্ডী রয়ে গেল মন!!
----------------------------------------
 
সত্যিকারের ভালোবাসা মেলে কোথায়
 
তোমাকে ভুলে যেতে হবে একদিন, এমন ভেবে তো ভালোবাসিনি আমি,
যখন ভালোবেসেছি, তখন তোমাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রাখব, এমন ভেবেই ভালোবেসেছি!
তুমি কি চাও বা তুমি কি চেয়েছ, সেটা ভেবেও ভালোবাসিনি,
ভালোবেসেছি ভালোবাসা জন্মে গেছে বলে...
তুমিও যে আমাকে সমানভাবে বা একইভাবে চাইবে বা ভালোবাসবে এমন কখনো ভেবেও দেখেনি, আশাও করিনি!
ভালোবাসা এমনই, নিজের অজান্তেই হয়ে যায়!
ভালোবাসা কোনো কমিটমেন্ট নয়;
শর্তে বেঁধে বা চাপে ফেলে কি কখনো ভালোবাসা হয় প্রিয়!?
ভালোবাসায় উভয়দিকে আগুনের তেজ সমান না- হতে পারে
উভয়ের হৃদয়ে সমান জল থই থই না- করতে পারে
তবে কি জানো, সত্যিকারের ভালোবাসা একবার জন্মে গেলে, যেখানেই থাকো আর যেভাবেই থাকো, ভালোবাসা ভালোবাসার জায়গায় অপরিবর্তিত রয়ে যায়, ঠিক
যেমনটি চাঁদ থাকে আকাশের ঠিকানায়!
তাকে সারাদিন, সারাক্ষণ দেখা বা স্পষ্ট বোঝা না গেলেও সে কিন্তু আকাশেই থাকে
মাঝে মাঝে ঘন কুয়াশা বা কালো মেঘে আড়াল হয়ে যায়,
মাঝে মাঝে গ্রহণের বাধ্যতায় পরীক্ষা দিতে যায়, কষ্ট সইতে হয়, তবুও তার ঠিকানা কিন্তু একটাই
ভালোবাসাও ঠিক তেমনই
যতই চড়াই-উতরাই আসুক,
যতই রোগ-শোক, অভাব-অভিযোগ আসুক,
নিজ অক্ষে বিচলিত হয় না কখনো...
সত্যিকারের ভালোবাসা বাসতে পারে না সবাই!
সত্যিকারের ভালোবাসা আজকাল মেলা বড়ো দায়!!
----------------------------------------
 
অপেক্ষায়
 
এই শুভসকালে আমাকে এককাপ স্বস্তি দেবে কেউ
সকাল সকাল কেউ মুছে দিতে পারবে কপালের বলিরেখা
অতৃপ্ত শুষ্কঠোঁটে এঁকে দিতে পারবে বেদনা লুকানোর হাসি
পারবে মিছেমিছি স্বপ্নের গভীরে নেশার ঘোরে ঠেলে দিতে
কেউ এসে কলিংবেল বাজিয়ে তাড়া দেবে প্লিজ দিন শুরু করবার
না-হয় রেগে গিয়েই এসে বলো, বেলা ফুরোলো, এবার চোখ মোছো
এক প্রহরকে আরেক প্রহরের পথে পৌঁছে দেবার সাহস দিতে পারবে আমায়
জানি পারবে না, কেউ পারবে না...
কীভাবে দেবে, যার রাত কাটে সাজানো বিছানায়!?
 
তবে বলো কীভাবে ঘুমাই
ঘুমহীন রাতকে কীভাবে সুপ্রভাত জানাই
একাকিত্বের জীবনেও একা থাকার নেইকো উপায়
কেন শামসুর রাহমান, শরৎচন্দ্র আর সুনীলের কবিতারা দংশায়
বারবার আমাকে মনে করিয়ে দেয়
কোথাও কেউ নেই
আমার যে কোথাও কেউ নেই অপেক্ষায়!!
 
কোনো কিছু তো থেমে নেই
কেউ কি আছে থমকে দাঁড়িয়ে
তবুও কেন কেবল একজোড়া চোখ বিশ্রামহীন একটু স্বস্তির অপেক্ষায়
একটু ঘুমের অপেক্ষায়!?
একটু ঘুম দেবে আমায়
একটু স্বস্তির ঘুম দাও না আমায়!!
----------------------------------------
 
কেন প্রেমিক হয়ে এলে
 
এত যে বৃষ্টি নামালাম, কই তবুও তো এলে না...!
ভেতর থেকে দরজা খুলে রেখে তেঁতে গেল অজস্র প্রহর! ভিজল না!
জোনাকির আলো আর ঝিঁঝির ডাক আজকাল উপহাস মনে হয়
পাশবালিশটাও বড্ড ক্লান্ত জল ধারণ করতে করতে
শুকোতে দেবার সুযোগই পাই না!
এত যে হাহাকারের বজ্রপাত ঘটালাম, কই তবুও তো
একবারও ভাবলে না, এই শূন্য বুকটা তোমার জন্যই খাঁ খাঁ করে
শখ করে কিনে রাখা সোনালি জরি-পাড়ের লাল তাঁতের শাড়িটা আর বুঝি পরা হবে না কোনোদিনও;
ভাজে ভাজে স্যাঁতসেঁতে হতাশা গুমোট সুবাস ছড়ায়!
লাল রেশমি চুড়িগুলো আমার মতোই বেহায়া, এখনো আশায় বুক বেঁধে জৌলুস ধরে রেখেছে!
এত যে আকুতি-মিনতি প্রকাশ করলাম কবিতা গড়ে, কই তবুও তো স্পর্শ করল না তোমার হৃদয়
এতটা পাষাণ কীভাবে হলে তুমি? কীভাবে পারছ এভাবে কাঁদাতে?
তুমি না আমার বীরপ্রেমিক হলে, "মহান পুরুষ"; সবকে হার মানিয়ে জয় করেছিলে দূ্র্লভ কিছু, যার মর্ম তুমি বোঝোনি বলেই আজও মরুভূমিতে কেবল কাঁটার গাছই জন্মে!
যদি টের পেতে কতটা নির্মম তোমার ধ্যান, তবে চোখ খুলে, বুক পেতে, ছুটে এসে আমায় জড়িয়ে নিতে!
যতটা কষ্টে রেখেছ, তার অধিকগুণ ভালোবেসেছি
তাই আমার সাধনা বিফলে গেলেও একদিন ঠিকই আমি বৃষ্টি না হয়ে ঝরনা হয়ে মিশে যাব নদী কিংবা সাগরের সাথে,
তবুও ভালোবাসা বাঁচিয়ে রাখব
আমার ভালোবাসা আমার অমূল্য জীবনীশক্তি
আমার মাঝে বাঁচিয়ে রাখব প্রকৃতি হয়ে!!

⭐ FOR ANY HELP PLEASE JOIN

🔗 MY OTHERS CHANNELS

🔗 FOLLOW ME

🔗 MY WEBSITE

🔗 CALL ME
+8801819515141

🔗 E-MAILL
molakatmagazine@gmail.com


#কবিতা
#মোলাকাত
#Molakat
#poetry
#Literature
#Bengali_Literature
#সাহিত্য_ম্যাগাজিন
#ওয়েব_ম্যাগাজিন
#সাহিত্য
#বাংলাসাহিত্য
#সাফিকা জহুরা জেসী

No comments

নির্বাচিত লেখা

আফসার নিজাম’র কবিতা

ছায়া ও অশ্বথ বিষয়ক খ-কবিতা এক/ক. সূর্য ডুবে গেলে কবরের ঘুমে যায় অশ্বথ ছায়া একচিলতে রোদের আশায় পরবাসী স্বামীর মতো অপেক্ষার প্রহর কাটায় প্রাচী...

Powered by Blogger.